April 21, 2026, 9:59 am
শিরোনাম:
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

৪ মাস ১৮ দিন পর কারামুক্ত হলেন সিংড়ার সাংবাদিক বেল্লাল হোসেন

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর |

​নাটোরের সিংড়া উপজেলার তরুণ সাংবাদিক মো. বেল্লাল হোসেন বাবু দীর্ঘ ৪ মাস ১৮ দিন কারাভোগের পর অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন। চাল চুরির সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এক ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানের সাজানো চাঁদাবাজি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে পরিবার ও সহকর্মীরা দাবি করে আসছিলেন।
​ঘটনার প্রেক্ষাপট
​সিংড়া উপজেলার এক ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছিলেন সাংবাদিক বেল্লাল। অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনার জেরে ওই জনপ্রতিনিধি ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের অনুসারীদের দিয়ে বেল্লালের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করান। সেই মামলায় গত প্রায় সাড়ে চার মাস ধরে তিনি নাটোর জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
​আইনি লড়াই ও মুক্তি
​ভুক্তভোগী সাংবাদিকের আইনজীবী ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালত থেকে তার জামিন মঞ্জুর হয়। জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছালে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি নাটোর জেলা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় স্থানীয় সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
​সাংবাদিক বেল্লালের প্রতিক্রিয়া
​কারামুক্তির পর আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বেল্লাল হোসেন বাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন:
​”আমি কোনো অপরাধ করিনি। চাল চুরির সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছিল। তবে আমি বিশ্বাস করতাম সত্যের জয় হবেই। আমার এই দুঃসময়ে যারা পাশে ছিলেন, বিশেষ করে সাংবাদিক সমাজ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।”
​সাংবাদিক সমাজের উদ্বেগ
​সিংড়া উপজেলার সাংবাদিক সমাজ এই মুক্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও মিথ্যা মামলায় হয়রানির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। স্থানীয় সাংবাদিকদের মতে, তরুণ এই সাংবাদিকের ওপর অর্পিত এই মামলাটি ছিল মূলত মুক্ত গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের একটি অপচেষ্টা। দীর্ঘ ৪ মাস ১৮ দিন জেল খাটলেও বেল্লাল তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর এমন আঘাত স্বাধীন সাংবাদিকতার পথকে বাধাগ্রস্ত করে।



ফেসবুকে আমরা