September 21, 2026, 11:21 pm
শিরোনাম:
নিউইয়র্কে বিএনপির চেয়ারম্যান,তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের উল্লাস। ঐতিহ্যবাহী মেমনগর বি.ডি. মাধ্যমিক বিদ্যালয়: শতবর্ষ পেরিয়ে দর্শনার শিক্ষার আলোকবর্তিকা গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ পেলেন সম্মানজনক ‘বিপিএম-সেবা’ পদক নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ৫২ জন গ্রাম পুলিশ কে নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রদান  লিটন মহাজন লিটুর আরোগ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  পানছড়িতে বিএনপির সাংগঠনিক সভা,তৃণমূলকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন,নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি, বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবির মিঠু রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে গোপালপুর সরকারি কলেজের হারানো ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ 

Reporter Name

বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী ,টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:

 

টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর সরকারি কলেজের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি মডেল কলেজ হিসেবে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ড. মো: মোজাহারুল হক।

 

বুধবার (২সেপ্টেম্বর) বিকেলে গোপালপুর সরকারি কলেজে তার নিজ কার্যালয়ে গোপালপুর প্রেসক্লাবের সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি তার সার্বিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

 

গোপালপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো: মোজাহারুল হকের জন্ম গোপালপুর উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের পিচুরিয়া গ্রামে। এই গোপালপুর সরকারি কলেজ থেকেই তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন এবং পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সসহ মাষ্টার্স ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। ২২তম বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল ছিল লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ।

১৩আগষ্ট তার নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কলেজের সার্বিক পরিবেশ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, শৃঙ্খলা, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। প্রতিষ্ঠানের সকল স্টাফদের নিয়ে ও ছাত্র-ছাত্রীদের অভিবাবকদের নিয়ে তিনি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার পৃথক-পৃথকভাবে মতবিনিময় করেন।

 

মতবিনিময়কালে খোলামেলা আলোচনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে তিনি ধারণা নেন ও অবগত হন।

দীর্ঘদিনের সুনাম ও ঐতিহ্য বহনকারী গোপালপুর সরকারি কলেজ একসময় এই অঞ্চলের উচ্চশিক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত ছিল। কোনো একসময় আশপাশের তিন-চার উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থীরা এখান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে উচ্চ পর্যায়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তবে নানা কারণে কলেজটির সেই পুরোনো প্রাণচাঞ্চল্য ও ঐতিহ্যে কিছুটা ম্লান হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ ড. মো: মোজাহারুল হক মনে করেন সঠিক পরিকল্পনা, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের আন্তরিকতা এবং শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কলেজটিকে আবারও তার পুরোনো অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া সম্ভব।

পাশাপাশি শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করা, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা, সহশিক্ষা কার্যক্রম বাড়ানো, মাদকমুক্ত ও ইভটিজিংমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ, বহিরাগতদের অবাধ বিচরণ প্রতিরোধসহ কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

 

অধ্যক্ষ ড. মো: মোজাহারুল হক আরও বলেন, একটি কলেজের সাফল্য শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না। একজন শিক্ষার্থীকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাকে জ্ঞান, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের শিক্ষাও দিতে হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে গোপালপুর সরকারি কলেজে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতেও তিনি কাজ করবেন।

তিনি আরও বলেন, কলেজের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, অভিভাবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় সুধীজনসহ সবার সম্মিলিত সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। সম্মিলিত উদ্যোগেই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই কলেজটি শুধু শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নয়; এটি গোপালপুরের মানুষেরও প্রতিষ্ঠান।

তাই বতর্মান প্রেক্ষাপটে কলেজের সুনাম ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক ও সুধীজনদের সর্বাত্মক সহযোগিতা অনিবার্য ।



ফেসবুকে আমরা