September 21, 2026, 4:54 pm
শিরোনাম:
গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার মো: হাবীবুল্লাহ পেলেন সম্মানজনক ‘বিপিএম-সেবা’ পদক নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে ৫২ জন গ্রাম পুলিশ কে নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রদান  লিটন মহাজন লিটুর আরোগ্য কামনায় বিশেষ প্রার্থনা  পানছড়িতে বিএনপির সাংগঠনিক সভা,তৃণমূলকে শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করার আহ্বান উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন,নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি, বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পাচ্ছেন ঝিনাইদহ ডিবির মিঠু রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা টেকনাফে পুলিশের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকের জমি দখলের অভিযোগ নাসিরনগরে হাত, মুখ ও শরীরে কসটেপ মোড়ানো লাশ উদ্ধার, স্বজনদের আহাজারি 
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন,নদী’গর্ভে স্থাপনা-ফসলী জমি, বাস্তু হারা হয়েছে দু’শতাধীক পরিবার

Reporter Name

প্রতিক কুমার উপজেলা প্রতিনিধি উলিপুর কুড়িগ্রাম

 

কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে বাস্তুহারা হয়ে পরেছে অনেক পরিবার। বর্তমানে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,একটি মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ (ব্যারিবাঁধ) হুমকির মুখে পড়েছে ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়া প্রায় দু’শতাধীক বাড়ী-ঘর। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম তিস্তার আগ্রাসনে বাস্তুহারা হয়েছে ওই এলাকার অন্তত ২ শতাধীক মানুষ। ঝুঁকিতে রয়েছে আরও কয়েক শত পরিবার। এছাড়া,দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পূরা মৌজার ঐতিহ্যবাহী বসুনিয়াপাড়ার শতাধীক বাড়ী-ঘর নদীর তীব্র ভাঙনে সরিয়ে নিচ্ছেন বাসিন্দারা। হুমকির মুখে পরেছে কয়েকটি স্থাপনা, ফসলি জমি। নদী গর্ভে বিলীনের অপেক্ষায় কর্পূরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বসুনিয়া পাড়া জামে মসজিদ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। সোমবার ভাঙ্গন কবলিত বসুনিয়াপাড়া গ্রামে তিস্তার তীরে ভাঙ্গনের ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেছে। গত ৭২ ঘন্টার ব্যবধানে ভয়াবহ ভাঙ্গনের তান্ডবে প্রায় শতাধীক পরিবারের বসতভিটা, গাছপালা, আবাদি জমি, কবরস্থান গিলে খেলেছে তিস্তা নদী। আরো অনেকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন তাদের বাড়ি-ঘর।

তিস্তার ভাঙনে ছয়বার ভিটে সরিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা আব্দুল বাতেন ও আশরাফুল আলী। সর্বশেষ এক সপ্তাহ আগে তারা ভিটে সরিয়ে অন্যত্র নিয়েছেন। রেজোয়ান ও সিকেদ্দার বসুনিয়া বলেন, ‘ছয়বার বাড়ি সরাই, বুকের ভিতরাটা ভাঙি যায়। এতোবার ভিটা ভাঙে, তাও কাইয়ো শোনে না-দেখে না,বা। আমরা খুব অসহায়।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে একই কথা বললেন, ঐ এলাকার পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী আঃ মান্নান। তিস্তার ভাঙনে সর্বহারা হয়ে এখন ফকির হতে হয়েছে অনেক কে। বাড়ি-ঘর সরাতে সরাতে হাফসি গেছে আবু বক্কর ,এরশাদুল, আব্দুল মালেক, আঃ সামাদ, মজিবর, সেকেন্দার, জামাতাল্লী, আশরাফুল, ফারুকসহ ভুক্তভোগীরা। জানাগেছে, তিস্তা নদীর ভাঙনে দলদলিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (কর্পূরা) পুরোটাই এবং ১ নম্বর ওয়ার্ডের বেশির ভাগ অংশ ইউনিয়নের মানোচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। ছয় মাসে অন্তত সহস্রাধিক পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। আবাদি জমি বিলীন হয়েছে অন্তত ৬’শ একর।

ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র কামরুজ্জামান রানা সুন্সি বলেন, ‘গত ছয় মাসে তিস্তার ভাঙনে অন্তত ৪’শ পরিবার বাস্তুহারা হয়েছে। বর্তমানে নদীর ভাঙনে মানুষ দিশেহারা হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে এ মৌজাটি ইউনিয়নের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। বর্তমানে বসুনিয়া পাড়ায় যে ভাবে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে, দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নিলে দু-চার দিনের মধ্যে গ্রামটির যৎ সামান্য অংশ টুকুও বিলীন হয়ে যাবে। এলাকাবাসী জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমের আগে পাউবো’র উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষ ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করে গেলেও এখনো কোন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহন করেননি বলে তারা হতাশ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলামের সাথে ভাঙ্গন রোধের বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন ভাঙ্গন রোদে কাজ শুরু হয়েছে চাহিদা পাঠিয়েছি এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি ।



ফেসবুকে আমরা