দিনব্যাপী গণসংযোগ, মতবিনিময় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসান মাহমুদ
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহমুদুল হাসান মাহমুদ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন। গণসংযোগ, মতবিনিময়, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং ক্রীড়া আয়োজনকে ঘিরে তার ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো।
দিনের শুরুতে তিনি ভাঙ্গামোড় ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। গণসংযোগকালে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তিনি ভবিষ্যতে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাহমুদুল হাসান মাহমুদ দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করে আসছেন। বিশেষ করে এলাকার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেন বলেও স্থানীয়দের কয়েকজন জানিয়েছেন।
জুমার নামাজের সময় তিনি রসুলপুর দেবেত্তর জামে মসজিদে উপস্থিত হন। সেখানে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি নামাজ শেষে মুসল্লিদের সঙ্গে সালাম ও কুশল বিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মুসল্লিদের সঙ্গে আন্তরিকভাবে মতবিনিময় করেন তিনি।
এরপর বিকেলে ভিতরবন্দ ফুটসাল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন মাহমুদুল হাসান মাহমুদ। খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে উপস্থিত খেলোয়াড়, আয়োজক, দর্শক ও ক্রীড়াপ্রেমীদের সঙ্গে তিনি সময় কাটান। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব দল ও খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানান এবং বিজয়ী দলের হাতে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তুলে দেন।
স্থানীয়দের মতে, শুধু নির্বাচনী সময়েই নয়, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে মাহমুদুল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের যোগাযোগ রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ডে দরিদ্র, অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বিষয়টিও স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে এসেছে।
এলাকাবাসীর কয়েকজন বলেন, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি প্রত্যাশা করেন, যিনি সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন, তাদের সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেবেন এবং প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, মাহমুদুল হাসান মাহমুদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও তার বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
তবে নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের সিদ্ধান্ত। মাহমুদুল হাসান মাহমুদ তার গণসংযোগ অব্যাহত রেখে সাধারণ মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরছেন। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের নিজস্ব মতামত ও প্রত্যাশার কথা জানাচ্ছেন।
দিনব্যাপী এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মাহমুদুল হাসান মাহমুদের প্রচারণায় মূলত সরাসরি জনসম্পৃক্ততা, মানুষের কথা শোনা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়টি সামনে এসেছে।
—এডমিন