পুঠিয়ায় কৃষি কলেজ দেওয়া হবে, স্থাপনের চেষ্টায়: এমপি নজরুল
শাহিন, বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের মে মাসে পুঠিয়ার মানুষের প্রয়োজন চিন্তা করে ঘোষণা দিয়ে ছিলেন পুঠিয়ায় হবে কৃষি কলেজ। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি বিভিন্ন কারণে। যেহেতু পুঠিয়া-দুর্গাপুর, বাগমারা, চারঘাট-বাঘা এই উপজেলা গুলো কৃষি জোন। এসব অঞ্চলের মানুষ বেশিরভাগই কৃষির উপর নির্ভরশীল তাই এখানে যদি আমরা কৃষি কলেজ তৈরি করতে পারি তাহলে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার সুযোগ হবে, এখানে গবেষণা হবে, এবং আমাদের উন্নয়ন হবে। এই চেষ্টায় আমি আছি যেনো পুঠিয়ায় একটি কৃষি কলেজ করা যায়।
গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) তার নিজ বাসভবনের অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন এমপি নজরুল ইসলাম মন্ডল।
তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালের মে মাসে যখন পুঠিয়া নামে তখন উনি প্রটোকল ভেঙে মঞ্চে না যেয়ে জনগণের মাঝে ঢুকে পড়ে, মাইক টা চেয়ে নেয়, উনি মাইক নিয়েই গ্রাম উন্নয়নের কথা বলেন, খাল খননের কথা বলেন, কৃষি উন্নয়নের কথা বলেন এবং সেই সঙ্গে পুঠিয়ার মানুষের প্রয়োজন চিন্তা করে উনার দূরদর্শী চিন্তা ভাবনা থেকে পুঠিয়াতে একটি কৃষি কলেজ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন।
তবে দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হলেও বিভিন্ন কারণে এটা কিন্তু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে আমি সংসদে কথা বলেছি, চেষ্টায় আছি কলেজটি যেন হয়।
এমপি আরও বলেন, কোন জায়গায় কলেজ করলে ভালো হয় এজন্য আমি জমি খোঁজাখুঁজি করছি, ইতিমধ্যে
আমি এসিল্যান্ডকেও বলেছি উপযুক্ত জমি কোথায় পাওয়া যায়। জমির ব্যবস্থা হলে আমি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবো যেন পুঠিয়ায় কৃষি কলেজ স্থাপন করে ছেলে মেয়েদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করা যায়।
এছাড়াও এদিনের আলোচনায় দুর্গাপুর উপজেলায় একাধিক উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমের পরিকল্পনা সহ বানেশ্বরকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে পৌরসভার আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন এমপি নজরুল ইসলাম মন্ডল।