স্টাফ রিপোর্টার: আতাউর রহমান ।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থানার ৫ নং সুন্দরদিঘী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের থানা আমীর, বিবাহ রেজিস্টার ও মাদ্রাসা সুপার এর বিরুদ্ধে ছাত্রীর সাথে অনৈতিকভাবে মেসেজ আদান- প্রদান ও কথোপতনের অভিযোগ উঠলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ হতে তাহাকে থানা আমীরের দায়িত্ব হতে তিন মাসের জন্য অব্যাহতি প্রদান করে। এই তিন মাসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে তদন্ত চলবে এবং যদি অভিযুক্তকারী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে তিনি উক্ত থানা আমীরের দায়িত্বে বহাল থাকবেন বলে এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য যে, গত তিন মাস পূর্বে একই ইউনিয়নের ফুলবাড়ী এলাকার রফিকের সাথে ১৬ ঘর গ্রামের আব্দুল মালেকের কন্যা মিম এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। রফিক চাকুরীর সুবাদে ঢাকায় অবস্থান করেন। গত ২৬ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে রফিক তার স্ত্রী মিমের বিরুদ্ধে পরকীয়া সংক্রান্ত এসএমএস আদান – প্রদানের অভিযোগ তুলে মোবাইলের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করলে তার স্ত্রী চেয়ারম্যান আব্দুল হালিমের নাম স্বীকার করেন। রফিক ০১৭৭০২৬৯৬৪৫ নাম্বার হতে প্রেরিত এসএমএস সরাসরি প্রকাশ্যে না এনে আব্দুল হালিম চেয়ারম্যান এর প্রতিপক্ষের নিকট হস্তান্তর করলে দ্রুত এই মেসেজ এবং স্বামী- স্ত্রীর স্বীকারোক্তিমূলক অডিও এলাকায় সাধারণ জনগণের মাঝে জানাজানি হয়ে যায়। অপর পক্ষে চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম বিষয়টি অস্বীকার করে তাৎক্ষণিক তার উঠোন বৈঠকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণের মাঝে বিবৃতি প্রদান করেন এবং বলেন এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তারা কখনো আমার বিরুদ্ধে এই ঘটনা প্রমাণ করতে পারবে না।
অভিযোগে উল্লেখ্য নাম্বারটির সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে পাওয়া যায় নাম্বারটি প্রিন্স সুমন নামের এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি খোলা। তার সাথে যোগাযোগ করলে সুমন বলেন নাম্বারটি আমি ৬ বছর পূর্বে ব্যবহার করেছি বর্তমানে কে ব্যবহার করছে জানিনা। আরো জানা যায় সিমটি বর্তমানে মেয়ের বাবা আব্দুল মালেক এর নামে রেজিস্ট্রেশন করা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী দেবীগঞ্জ থানা আমীর, চেয়ারম্যান আব্দুল হালিমকে থানা আমীরের দায়িত্ব হতে তিন মাসের জন্য অব্যাহতি প্রদান করে জনগণের নিকট ন্যায় বিচারের নজির স্থাপন করেন। বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীরভ তদন্ত টিম কাজ করিতেছেন।