ঢাকা   ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
প্রতিদিনের কাগজ ও মডেল প্রেস ক্লাবের কক্সবাজার অফিস পরিদর্শনে অতিঃ আইজিপি অবঃ ড. আশরাফ সালাতু সালাম স্বয়ং আল্লাহতাআলার আমল, সালাতু সালাম অতুলনীয় ঈমানী আমল। – আল্লামা ইমাম হায়াত ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫ বছরের কিশোরী সং’ঘবদ্ধ ধ’র্ষ’ণের শিকার,আ’টক ৩ রাজশাহীর তানোরে চা বিক্রেতার মেধাবী মেয়ের পাশে শরিফ উদ্দিন মুন্সী পরিবার রাজশাহী জেলা পুলিশের হিসাব শাখা পরিদর্শনে অ্যাডিশনাল ডিআইজি খন্দকার মো. শামীম হোসেন: আর্থিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার ওপর জোর ঠাকুরগাঁওয়ে জিংক ব্রি ধান-১০২ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত রাজস্থলীতে বিদ্যালয়ের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, সিলেটে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা জিলু গ্রেফতার চিত্রনায়িকা মৌসুমীকে নিয়ে ‘বানোয়াট অশ্লীল ভিডিও’র গুজব ছড়ানোর তীব্র নিন্দা চলচ্চিত্র অঙ্গনে: পরিচালক রবিউল ইসলাম রাজের কঠোর প্রতিক্রিয়া ঠাকুরগাঁওয়ে ঘুরতে নিয়ে গিয়ে কিশোরীকে গ-ণধ-র্ষণ, প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩

কাজিপুরে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বেহাল দশা ক্রমাগত শিক্ষার্থী হ্রাস পাচ্ছে

okmedia56@gmail.com
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, মে ২, ২০২৫
  • 80 শেয়ার

মোঃ পলাশ শেখ, বিশেষ প্রতিনিধি।

 

সরকারী প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা থাকা সত্তেয় শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা, স্কুল মনিটোরিংএর অভাব ও পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের কারণে কাজিপুরে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে সরকারী বিদ্যালয়গুলিতে প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে। যমুনা নদীদ্বারা বিভক্ত কাজিপুর উপজেলায় ২৩৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।

১২ ইউনিয়নের ৬ টি যমুনার পূর্বপারে হওয়ায় প্রায় অর্ধেক পরিমান বিদ্যালয়ের অবস্থান যমুনার পূর্বপারের ৬ টি ইউনিয়নে অবস্থিত। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে,শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতাএবং শিক্ষা অফিস কর্র্তৃক দেখভালের অভাবে বিদ্যালয় গুলোতে ক্রমাগত শিক্ষার্থী হ্রাস পাচ্ছে। অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের সরকারী বিদ্যালয়ে না দিয়ে মাদ্রাসা,অথবা কিন্ডারগার্টেনে ভর্ত্তি করাচ্ছেন। বিশেষকরে চরাঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শির্ক্ষাথী ঝরে পড়ার প্রবাণতা বেশী। তবে ধর্মভিরু কিছু শিক্ষক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীক অবস্থান করে শিক্ষকতা করেন। এ বিষয়ে বেশ কিছু ছাত্র-ছাত্রীর অভিভাবকদের সাথে কথা বল্লে তারা অভিযোগ করে জানান যমুনানদীর পঞ্চিম পার থেকে বেশ কিছু শিক্ষক যমুনার পূর্ব পারের স্কুল গুলোতে শিক্ষকতা করেন ।

ঐ সমস্থ শিক্ষকগন বিদ্যালয়ে পৌছতে প্রায় ১০/১১ টা বেজে যায় , আবার নদী পথ হওয়ায় ২ টার মধ্যেই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন ফলে ২ থেকে ৩ ঘন্টা পাঠ প্রদান সম্ভব হয়, এতে তাদের সন্তানরা প্রকৃত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অভিভাবকগণআরও জানান উপরোক্ত কারণ ছাড়াও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলি সপ্তাহে ২ দিন ছাড়াও নানা সময়ে দির্ঘ সময় বন্ধ থাকে, কিন্ত কিন্ডার গার্টেন স্কুল ও মাদ্রাসা গুলি বন্ধ থাকে না এ কারণে আমরা সন্তানদের কিন্ডার গার্টেনে পড়াতে দিয়েছি।উপরোক্ত কারণ ছাড়াও নদী ভাঙ্গনের কারণে,এবং সরকারী নানাবিদ বরাদ্দযেমন ¯স্লীপের টাকা,প্রাকপ্রাথমিকের টাকা,ক্ষুদ্র মেরামতের টাকা , রুটিন মেরামতের টাকা সমূহ ছাড় করাতে প্রধান শিক্ষকদের উপজেলা অফিসে বার বার আসা যাওয়া করতে হয় এতে করে প্রধান শিক্ষক না থাকায় বাকী শিক্ষকদের মধ্যে দায়িত্বহীনতা বেড়ে যায়,এছাড়া বিদ্যালয়গুলি পাশাপশি অবস্থান করায় অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষার্থী নাই। কাজিপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে ব্যপক শিক্ষক সমন্বয়হীনতা রয়েছে। কেননা চরের বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকরা যেতে চান না ফলে চর-বিলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যপক শিক্ষক সমন্বয়হীনতা রয়েছে। প্রাথমকি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শিক্ষক পিছু চর এলাকায় ২০জন এবং বিলে এলকায় ৩০ জন শিক্ষার্থী থাকার নিয়ম থাকলেও কাজিপুরে উপজেলায় তা অকার্যকর ।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে কাজিপুরে ২৩৭ টি বিদ্যালয়ে মোট ১৪০৯ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।মোট শিক্ষার্থী ৪৫ হাজার ৩৫৮ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে বলে উল্লেখ রয়েছে।এ ছাড়া ৫৩ টি কিন্ডার গার্টেনে ৪হাজার ১২৬ জন,এবং ২৩ টি বেসরকারীবিদ্যালয়ে৩০১৪ জন শিক্ষার্থী দেখান হয়েছে । তবে খোজ নিয়ে জানা গেছে ,সরকারী বিদ্যালয়গুলোতে কাগজে কলমে শিক্ষার্থী দেখানো হলেও প্রবাদ বাক্যের ন্যায় “কাজির গুরু কেতাবে আছে গোয়ালে নাই” এর মত অবস্থা। একটি বিশস্ত সূত্রে কাজিপুরের কিন্ডার গার্টেনের সিংহভাগ শিক্ষার্থীর নাম স্থানীয় কোন না কোন সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংযোজীত আছে।

এ বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান আমাদের উপজেলায় ৮ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার স্থলে আছেন মাত্র ৩ জন। তাঁর পরেও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্তা নেয়া হবে। অপর দিকে খাঁশরাজবাড়ি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হৃদয় হাসান শিক্ষকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক অবস্থান করে পাঠ প্রদানের দাবি করছি।‘উত্তর পানাগাড়ী অভিভাবক ইউসুব আলী একই অভিমত ব্যক্ত করেন।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪