মোঃ মাইনুদ্দিন শিকদার গাজীপুর প্রতিনিধি।
গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন চক্রবর্তী এলাকায় ঝাল মুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে গাজী মোঃ রাফেজ আহমেদ (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
এই ঘটনায় মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলী নামে আরও দুইজন আহত হয়ে
কেপিজে-বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) শফিক আহমেদ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯ঃ৩০ এর সময় মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন ২ নং ওয়ার্ড চক্রবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাফেজ আহমেদ খুলনা জেলার দাকোপ থানাধীন বাঁশখালী গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি চক্রবর্তী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকুরী করতেন। মৃত্যু কালে তিনি স্ত্রী ও সাত বছরের এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,বুধবার রাতে চক্রবর্তী এলাকায় রাফেজ আহমেদ একটি দোকানে ঝাল মুড়ি খাচ্ছিলেন। এসময় পাশের আরেকটি দোকানের ঝাল মুড়ি বিক্রেতা কয়েকজন পথচারীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন।
রাফেজ সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা
নিজের কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে উপস্থিত আরও দুজন সহ রাফেজের উপর হামলা চালান। হামলায় রাফেজের পেটের ডানপাশে ছুরিকাঘাত লাগলে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাফেজের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিবাগত রাতে ১ টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরের স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত ঝাল মুড়ি বিক্রেতা আতাউর রহমান (৪২) কে পুলিশ আটক করে। আতাউর রহমান গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফুলগাছা গ্রামের আব্দুল মাজির ছেলে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) শফিক আহমেদ জানান, অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে।