মাহতাব উদ্দিন
মৌসুমী বায়ু সদা বাঁশ বাগানে ওই বহে তরতর
তারই তলে এক ছাদের নীচে সে আমার কুঁড়ে ঘর।
উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকেএক রাস্তা গিয়েছে বয়ে
সুপারী ঘেরা আর ইটের বেড়া বাড়িটার পাশ হয়ে।
এই খানে এক শান্তির নীড় গড়লাম তিলে তিলে
থাকতে সুখে ছেলে মেয়ে আর অর্ধাঙ্গিনী মিলে।
পূর্ব-পুরুষ বাপ-দাদার স্মৃতি কত রয়েছে সুনাম
কুড়াল বিলের দক্ষিণ ধারে এই সে কাতুলি গ্রাম।
হরিপুর তার ইউনিয়ন আর উপজেলা চাটমোহর
প্রাচীন যুগের সাক্ষর বহে সেথা আছে থানা শহর।
কত ঐতিহ্য আর রূপ কথার গাঁথা গল্প শত শত
জন্মেছি এই চাটমোহর থানায় পাবনার অন্তর্গত।
গ্রামের ঠিক মাঝখানে যেন এক টুকরো হিরে
সুপারী আম আর নারিকেল গাছ আছে ঘিরে।
দক্ষিনে প্রধান সড়ক উপজেলা চাটমোহরে মিশে
উত্তরে কুড়াল বিল ইউনিয়ন হরিপুর তার পিছে।
পশ্চিমে ঐ মুশাগাড়ি গ্রাম মিশে আছে একসাথে
সুখ-দুঃখ সব ভাগাভাগি করে আনন্দে দিনে রাতে।
এক ভিটাতেই ভাগাভাগি করে গেড়েছি সেথায় ইটা
জন্মসূত্রে পেয়েছি যে টুকু ঢের এটাই বাবার ভিটা।
ভিটার দুপাশে সারি সারি বাড়ি করেছি আট ভাই
যেথায় যাহা করতে হবে তাতে সবাই মিলে যাই।
গাছে গাছে সেথা ডাকে পক্ষী মৌমাছি করে ভিড়
শত স্বপ্নের আর কষ্টের গড়া এটাই শান্তির নীড়।