বড়াইগ্রামে জামায়াতের বিশাল গণমিছিল: ‘জুলাই গণহত্যার বিচার ও গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে’
হযরত আলী, নাটোর জেলা প্রতিনিধি।
নাটোরের বড়াইগ্রামে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার বিকেলে বনপাড়া পৌর শহরে উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে বনপাড়ায় আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন দলীয় নেতৃবৃন্দ।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল হাকিম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ দেশে কোনো স্বৈরাচারের ঠাঁই হবে না। জুলাই গণহত্যায় জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। একই সাথে জনগণের কাঙ্ক্ষিত গণভোটের রায়কে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুজ্জীবিত করতে হবে।”
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী আবু বকর সিদ্দিকের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আবুল হোসাইন, রাজশাহী মহানগর জামায়াত নেতা আব্দুল হান্নান বাদশা, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা হাসানুল বান্না উজ্জ্বল, বড়াইগ্রাম পৌর মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাঈদ, বনপাড়া পৌর মেয়র প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, নগর ইউনিয়ন আমীর মাওলানা হাসিনুর রহমান, জোনাইল ইউনিয়ন আমীর হাফেজ মাহবুবুর রহমান, জোয়াড়ী ইউনিয়ন সেক্রেটারী মাওলানা আইয়ুব আলী এবং উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারী বাবর আলী।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, “জনগণের মতামত ও রক্তের তোয়াক্কা না করে কোনো সিদ্ধান্ত বরদাশত করা হবে না। ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতে ইসলামী রাজপথে আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।”
গণমিছিলে জামায়াতে ইসলামী ও অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।