ঢাকা   ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের রাঙামাটিতে নানিয়ারচর সেনা জোনের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আল্লামা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে মোল্লাহাটে খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন কুতুবদিয়ার পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ভাসমান ফিশিং বোটসহ ৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ঐক্য সুদৃঢ়করণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শীতলক্ষ্যার তীব্র ভাঙনে ধসের মুখে কাপাসিয়া থানা কমপ্লেক্স গাইবান্ধার খোলাহাটীতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার, ছাত্রী উদ্ধার একই পেশা, একই পথ: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দ্বন্দ্ব ও মানবিক বাস্তবতার ব্যবচ্ছেদ তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তনে জেগে ওঠা চরাঞ্চল পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী

নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের

okmedia56@gmail.com
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
  • 8 শেয়ার

সাধন সাহা জয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

 

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভূমি হস্তান্তর করের ৩৫ লাখ টাকা ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়েছেন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) প্রতিকার চেয়ে তারা জেলা প্রশাসক (ডিসি) বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।

অভিযোগকারী ইউপি সদস্যদের দাবি, শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের অনুকূলে ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ হারে পাওয়া ৩৫ লাখ টাকা পরিষদের কোনো সদস্যকে অবহিত না করেই চেয়ারম্যান এম আর মজিব আত্মসাৎ করেছেন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, নবী নগর শাখার স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে ৯টি ভুয়া প্রকল্পের নামে এই অর্থ ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। এছাড়া, এসব প্রকল্পের কোনো রেজুলেশন ইউনিয়ন পরিষদে পাস করা হয়নি বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিটন মিয়া জানান, চেয়ারম্যানের অনিয়ম ও দুর্নীতির তালিকা অনেক দীর্ঘ। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখলেই ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

নিজের বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র ও সাজানো নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন চেয়ারম্যান এম আর মজিব। তিনি দাবি করেন, তার ক্লিন ইমেজ নষ্ট করতেই কুচক্রী মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি জানান, ভূমি হস্তান্তর করের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা তোলা হয়েছে এবং সেই প্রকল্পগুলোর কাজ ইতোমধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন, তিনি এ বিষয়ে লিখিত আবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অবশ্যই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪