September 26, 2026, 11:56 pm
শিরোনাম:
সৌদিতে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন বাংলাদেশি প্রবাসী আব্দুল্লাহ। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বড় ভাই ইদ্রুস ইব্রাহিম ইন্তেকাল করেছেন। মেরুদণ্ড সোজা করে কাজ করুন’ বলায় পুরস্কারের বদলে বহিষ্কার: ছাত্রদলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ তৃণমূল, তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত। নওগাঁয় ছাদে ভেজা কাপড় শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু বিশ্বনাথে আল হেরা জামেয়া ইসলামী একাডেমীর দ্বিতীয়,সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও সুধী সমাবেশ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঠাকুরগাঁও পুলিশ কোর্টের বার্ষিক পরিদর্শন নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে আওয়ামীলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক  ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক সৌরভ কুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত   রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেলেন বাঘা থানার এসআই সিফাত রেজা!
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়মের অভিযোগ, কাজী ফরিদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

Reporter Name

বিশেষ প্রতিনিধি :

 

ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কথিত কমিটি গঠন, সদস্যপদ ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অর্থ লেনদেন, বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা এবং সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ উঠেছে কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে। বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে তার কর্মকাণ্ড নিয়ে অভিযোগভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও বিষয়টির স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় সাংবাদিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কাজী ফরিদ আহমেদ ঢাকা প্রেসক্লাবের বৈধ সদস্য না হয়েও নিজেকে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সময় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং নতুন কমিটি ও নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়ে সদস্যপদ, আজীবন সদস্যপদ, মনোনয়নপত্রসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের নামে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। একই প্রতিবেদনে ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র ও নথি তৈরির অভিযোগও তোলা হয়েছে এবং এসব নথির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা নং-৩৯, তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, দণ্ডবিধির ৪২০/৩৮৫/৩৮৬ ধারায় একটি মামলা দায়েরের তথ্য রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে কিছুদিন পরপর কথিত নির্বাচন আয়োজন, মনোনয়নপত্র বিক্রি ও সদস্যপদ দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে কোনো অর্থ নেওয়া হয়ে থাকলে সেই অর্থ কোথায় জমা হয়েছে, কার কাছে গেছে, তার হিসাব রয়েছে কি না এবং অর্থ গ্রহণের বিপরীতে বৈধ রসিদ ও সাংগঠনিক অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগকারীদের আরও দাবি, কাজী ফরিদ  ঢাকা প্রেস  ক্লাবের কখনো সদস্য ছিলেন না অথচ  বিভিন্ন সময় আলাদা কমিটি বা নির্বাচন দেখিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে কাজী ফরিদ আহমেদ কোন সাংগঠনিক বা আইনগত ভিত্তিতে নিজেকে ঢাকা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন—এ প্রশ্নও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, এ ধরনের কার্যক্রমের বিষয়ে কেউ প্রশ্ন তুললে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের হুমকি বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে কাজী ফরিদ আহমেদের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া কাজী ফরিদ  আওয়ামীলীগ সরকারের ভূমি মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ্রের একান্ত আস্তাভাজন হয়েও রয়েছেন বহল তাবিয়াতে। তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেছেন বিশিষ্টজনেরা। উল্লেখ্য,ঢাকা প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে অনিয়ম, জালিয়াতি এবং জাল সনদ তৈরি করার অভিযোগে সাধারণ সম্পাদক কাজী ফরিদ আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তির দাবিতে অতীতে বিভিন্ন মহলে ও গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগগুলো হলো:নামের অপব্যবহার ও জালিয়াতি: ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত মূল ‘ঢাকা প্রেসক্লাব’-এর নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহার করে সমান্তরাল বা ভুয়া কমিটি গঠন এবং সাংগঠনিক সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।ভুয়া আইডি কার্ড ও সনদ বিক্রি: সাংবাদিকতার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ঢাকা প্রেসক্লাবের লিজেন্ডারি বা আজীবন সদস্যপদের জাল সনদ ও ভুয়া আইডি কার্ড চড়া মূল্যে বিক্রি বা বিতরণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়।



ফেসবুকে আমরা