September 26, 2026, 11:51 pm
শিরোনাম:
সৌদিতে সহকর্মীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলেন বাংলাদেশি প্রবাসী আব্দুল্লাহ। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বড় ভাই ইদ্রুস ইব্রাহিম ইন্তেকাল করেছেন। মেরুদণ্ড সোজা করে কাজ করুন’ বলায় পুরস্কারের বদলে বহিষ্কার: ছাত্রদলের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ তৃণমূল, তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত। নওগাঁয় ছাদে ভেজা কাপড় শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু বিশ্বনাথে আল হেরা জামেয়া ইসলামী একাডেমীর দ্বিতীয়,সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও সুধী সমাবেশ ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশ সুপারের ঠাকুরগাঁও পুলিশ কোর্টের বার্ষিক পরিদর্শন নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে আওয়ামীলীগের ১১ নেতাকর্মী আটক  ঈশ্বরদীতে সাংবাদিক সৌরভ কুমার দেবনাথের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত   রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেলেন বাঘা থানার এসআই সিফাত রেজা!
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

আশুলিয়ায় স্ত্রী-সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, রামদাসহ স্বামী আটক

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক, আশুলিয়া (ঢাকা):

 

ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার আশুলিয়ায় স্ত্রী ও দুই বছরের শিশুসন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে তরিকুল ইসলাম হৃদয় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ সময় হামলাকারীদের বাধা দিতে গিয়ে ওই নারীর কিশোর ভাই আহত হয়েছেন। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম হৃদয়কে রামদাসহ আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। শুক্রবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে আশুলিয়ার এয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের পাশে, নরসিংহপুর সোনামিয়া মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত তরিকুল ইসলাম হৃদয় নিশ্চিন্তপুর এলাকার নুর ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী মাকসুদা আক্তার ফাতেমা (২২), পিতা মো: মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া।

ভুক্তভোগী মাকসুদা আক্তার ফাতেমার অভিযোগ, ঘটনার সময় তরিকুল ইসলাম হৃদয় একটি গাড়িতে করে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে তার বাবার বাড়ির সামনে আসে। এ সময় তাদের হাতে রামদা, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল বলে তিনি দাবি করেন। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা তাকে ও তার দুই বছরের শিশুসন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। বিষয়টি টের পেয়ে মাকসুদার চিৎকার শুনে তার ভাই ইউসুফ (১৬) তাকে ও শিশুটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। এ সময় হামলাকারীরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি সাভার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার একপর্যায়ে মাকসুদার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে হামলাকারীদের প্রতিরোধ করেন। এ সময় এলাকাবাসী তরিকুল ইসলাম হৃদয়কে একটি রামদাসহ আটক করতে সক্ষম হন। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নিয়ে থানায় যায়।

তবে অভিযোগ রয়েছে, হামলায় অংশ নেওয়া হৃদয়ের সঙ্গে থাকা অন্য ব্যক্তিরা পরিস্থিতি বুঝে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে আবার হামলার হুমকি দেয়। এ কারণে মাকসুদা ও তার শিশুসন্তান চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। তার অভিযোগ দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে বিরোধের ঘটেছে। ভুক্তভোগী মাকসুদা আক্তার ফাতেমার দাবি, তার স্বামী তাকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। তার ধারণা, ওই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তাকে ও তার শিশুসন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে মাকসুদা বলেন, “আমার স্বামী আমাকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছে। আমাকে ভরণপোষণ দেয় না, আমি অতি কষ্টে বাবার বাড়ি থাকি এর জের ধরে আমাকে ও আমার সন্তানকে হত্যার উদ্দেশ্যে ১০ থেকে ১৫ জন লোক নিয়ে রামদা, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়ালসহ হামলা চালানো হয়। আমি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আমাকে ও আমার সন্তানকে রক্ষা করেন। এ সময় আমার ভাইকেও কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রকাশ্য দিবালোকে এ ধরনের অস্ত্র নিয়ে হামলার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী ও তার শিশুসন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে মাকসুদার বাবা মফিজুল বলেন, তারা আমাকে কোপ দিয়েছিল কিন্তু ভাগ্যক্রমে আমার গায়ে লাগে নাই। ভাবে তারা আমাকে মারপিট করেছে। আমি এ ঘটনার সত্য বিচার চাই।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের তদন্তে হামলার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের সংখ্যা এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় ভুক্তভোগী পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার দাবি উঠেছে।



ফেসবুকে আমরা