ঢাকা   ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুতুবদিয়ার পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ভাসমান ফিশিং বোটসহ ৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ঐক্য সুদৃঢ়করণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শীতলক্ষ্যার তীব্র ভাঙনে ধসের মুখে কাপাসিয়া থানা কমপ্লেক্স গাইবান্ধার খোলাহাটীতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার, ছাত্রী উদ্ধার একই পেশা, একই পথ: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দ্বন্দ্ব ও মানবিক বাস্তবতার ব্যবচ্ছেদ তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তনে জেগে ওঠা চরাঞ্চল পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী শিহাটা বাজারে হেরোইন পাওয়ার অভিযোগে আটক কমল মিয়া, থানায় নিয়ে গেল পুলিশ রাজশাহী জেলা ট্রাফিক অফিসে এসপি নাঈমুল হাছানের বার্ষিক পরিদর্শন: দাপ্তরিক স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়াতে কঠোর নির্দেশনা: বিশ্বম্ভরপুরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় জিরা ও ভূট্টা উদ্ধার, গ্রেফতার ৫

সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে আমের বিপ্লব: কুয়েত প্রবাসীর বাগানে ঝুলছে হিমসাগর-ফজলি

okmedia56@gmail.com
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
  • 25 শেয়ার

মো. রফিকুল ইসলাম সোহাগ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

​সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৩নং ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি গ্রামে পতিত জমিকে উর্বর করে গড়ে তোলা হয়েছে বাণিজ্যিক আম বাগান, যা এখন নজর কাড়ছে সবার। কুয়েত ফেরত প্রবাসী মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিরাশ মিয়ার গড়ে তোলা এই দুটি আম বাগানে শোভা পাচ্ছে হিমসাগর, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপালি ও আশিনাসহ নানা জাতের সুস্বাদু আম। ২০১৩ সালে রাজশাহীতে এক বন্ধুর বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশে ফিরে এসে নিজ পৈতৃক ৪ একর পতিত জমিতে তিনি ৪ শতাধিক আমের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে বাগানগুলোতে ফরমালিনমুক্ত আমের বাম্পার ফলনে লাভের মুখ দেখছেন এই উদ্যোক্তা। স্থানীয় পর্যায়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসায় পঞ্চমুখ এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা। বাগানে কাজ করা শ্রমিকরা জানান, আম বাগান কেন্দ্রিক এই কর্মসংস্থানের ফলে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করছেন। সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে এমন বাগান থাকায় প্রতিদিন সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে ছুটে আসছেন আম ক্রেতারা। বাগান মালিক মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান মিরাশ জানান, চলতি বছর ১৭০ মণ আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে তিনি ইতোমধ্যে প্রায় দুই লাখ টাকার আম বিক্রি করেছেন। স্থানীয় ৩নং ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিলন মিয়া বলেন, ‘এই জেলায় এমন আম বাগান বিরল। সরকারিভাবে কৃষি বিভাগের সঠিক পরামর্শ ও সহযোগিতা পেলে এই বাগান থেকে উৎপাদিত আম দিয়ে জেলার চাহিদা অনেকাংশেই মেটানো সম্ভব।’ কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে আগামীতে উৎপাদনের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্যোক্তা মিরাশ। হাওর অধ্যুষিত এই জেলায় এখন আমের মৌসুমে অন্যরকম এক আমেজ তৈরি হয়েছে, যা স্থানীয় কৃষিতে নতুন এক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪