ঢাকা   ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নবীনগরে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ৯ সদস্যের রাঙামাটিতে নানিয়ারচর সেনা জোনের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আল্লামা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে মোল্লাহাটে খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন কুতুবদিয়ার পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ভাসমান ফিশিং বোটসহ ৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ঐক্য সুদৃঢ়করণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শীতলক্ষ্যার তীব্র ভাঙনে ধসের মুখে কাপাসিয়া থানা কমপ্লেক্স গাইবান্ধার খোলাহাটীতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার, ছাত্রী উদ্ধার একই পেশা, একই পথ: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দ্বন্দ্ব ও মানবিক বাস্তবতার ব্যবচ্ছেদ তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তনে জেগে ওঠা চরাঞ্চল পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী

জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা: জেলা পরিষদের উন্নয়নে অনন্য নজির অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের

okmedia56@gmail.com
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, জুন ১৬, ২০২৬
  • 21 শেয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান

 

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে বিগত দিনগুলোতে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের মেয়াদে যে পরিমাণ দৃশ্যমান ও জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন হয়েছে, তা বিগত সময়ে কোনো সরকারের আমলেই দেখা যায়নি বলে মনে করছেন স্থানীয় সাধারণ মানুষ। দুর্গম পাহাড়ের উন্নয়ন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সেবাপ্রাপ্তি সবক্ষেত্রেই তিনি এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।

​স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত দিনে জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানদের সাথে দেখা করতে সাধারণ মানুষের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হতো। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর দীর্ঘসূত্রতার কারণে সাধারণ মানুষ তাদের অভাব-অভিযোগের কথা পৌঁছাতে পারতেন না। তবে বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই দায়িত্ব নেয়ার পর সেই চিত্র সম্পূর্ণ বদলে গেছে। তিনি সর্বস্তরের মানুষের জন্য তার দপ্তরের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যেকোনো সাধারণ মানুষ এখন সহজেই তার সাথে দেখা করে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারছেন।

​অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের সময়কালে পার্বত্য অঞ্চলের প্রত্যন্ত ও দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। তৈরি হয়েছে নতুন নতুন রাস্তাঘাট, যার ফলে দুর্গম অঞ্চলের মানুষ সহজেই জেলা শহরের সাথে যোগাযোগ করতে পারছেন।

​যোগাযোগের পাশাপাশি শিক্ষা খাতের উন্নয়নেও তিনি বিশেষ নজর দিয়েছেন।

দুর্গম এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার ও মানোন্নয়নে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বড় ধরনের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন অর্থের অভাবে ঝরে না পড়ে, সেজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

​বান্দরবানের অসহায়, দুস্থ ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়িয়েছেন অধ্যাপক থানজামা লুসাই। চিকিৎসা, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং জরুরি দুর্যোগকালীন সময়ে তার মানবিক উদ্যোগগুলো সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, বিগত দিনের কোনো চেয়ারম্যান সাধারণ মানুষের এত কাছাকাছি এসে এভাবে পাশে দাঁড়াতে পারেননি।

​অধ্যাপক থানজামা লুসাইয়ের এই অভূতপূর্ব উন্নয়ন এবং তুমুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু অসাধু ও স্বার্থান্বেষী মহল সক্রিয় হয়ে উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্তমান চেয়ারম্যানের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এবং তার সফলতাগুলোকে আড়াল করতে ওই অসাধু চক্রটি বিভিন্নভাবে তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নানা উপায়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে।

​তবে সাধারণ জনগণের দাবি, অতীতে কোনো চেয়ারম্যান যা করে দেখাতে পারেননি, অধ্যাপক থানজামা লুসাই তা করে দেখিয়েছেন। আগামীতে অন্য কোনো চেয়ারম্যান এসে সাধারণ মানুষের জন্য এভাবে কাজ করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে সাধারণ জনগণের মনে বড় ধরনের প্রশ্ন ও সংশয় রয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীদের চক্রান্ত রুখে দিয়ে এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন বান্দরবানের সচেতন নাগরিক সমাজ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪