ঢাকা   ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ । ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাঙামাটিতে নানিয়ারচর সেনা জোনের বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আল্লামা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে সংসদে কটূক্তির প্রতিবাদে মোল্লাহাটে খেলাফত মজলিসের সংবাদ সম্মেলন কুতুবদিয়ার পশ্চিমে গভীর সমুদ্রে ভাসমান ফিশিং বোটসহ ৪ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ঐক্য সুদৃঢ়করণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত শীতলক্ষ্যার তীব্র ভাঙনে ধসের মুখে কাপাসিয়া থানা কমপ্লেক্স গাইবান্ধার খোলাহাটীতে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ সিলেটে স্কুলছাত্রী অপহরণ: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার, ছাত্রী উদ্ধার একই পেশা, একই পথ: প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দ্বন্দ্ব ও মানবিক বাস্তবতার ব্যবচ্ছেদ তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তনে জেগে ওঠা চরাঞ্চল পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী শিহাটা বাজারে হেরোইন পাওয়ার অভিযোগে আটক কমল মিয়া, থানায় নিয়ে গেল পুলিশ

চুয়াডাঙ্গায় জীবননগর উপজেলা আইসিটি অফিসারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

okmedia56@gmail.com
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬
  • 7 শেয়ার

মোঃ নাঈম উদ্দীন

জীবননগর উপজেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা

 

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আইসিটি অফিসার (সহকারী প্রোগ্রামার) ও মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মাহমুদুর রহমানের (৩৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে জীবননগর পৌরশহরের আশতলাপাড়ায় নিজ ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার বিষয়টি সামনে আসলেও পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত মাহমুদুর রহমান পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার ঝিটকেপোতা গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও এক সন্তানকে নিয়ে জীবননগর পৌরশহরের ওই ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

ঘটনার বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর দুপুর ১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী নাসরিন আক্তার ইতির দাবি, সকালে মাহমুদুর রহমান ছেলের জন্য খাবার কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে তিনি একটি কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। তার ভাষ্যমতে, তাদের মধ্যে বড় কোনো বিরোধ ছিল না। তবে ভিন্ন তথ্য দিয়েছেন নিহতের স্বজন ও সহকর্মীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জীবননগর উপজেলা পরিষদের একাধিক কর্মকর্তা জানান, মাহমুদুর রহমান অত্যন্ত শান্ত ও হাসিখুশি একজন মানুষ ছিলেন। তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার প্রায়ই মনোমালিন্য হতো। সম্প্রতি নিহতের স্ত্রীর পরিবার তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করেছিল, যা পরবর্তীতে মীমাংসা হয়।

নিহতের পিতা আতাউর রহমান জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকেও মাহমুদুর তার মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। এর কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যুর খবর আসে।

জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশরাফুল আলম রাসেল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, “মাহমুদুর রহমান উপজেলা পরিষদের একজন অত্যন্ত ভদ্র, শান্ত ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ছিলেন। তার অকাল প্রস্থান অত্যন্ত দুঃখজনক।”

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪