মোঃ আবু বকর সিদ্দিক, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
বগুড়া শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুর নামাপাড়া গ্রামের বিশ্বরোড সংলগ্ন একটি মাত্র মাটির ড্রেন নির্মান করা হয়েছে। এই ড্রেন দিয়ে বর্ষার মৌসুমে মির্জাপুর ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের প্রবাহিত বৃষ্টির পানি করতোয়া নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিকল্প কোন ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় ভারী বৃষ্টিতে ও একমাত্র ড্রেন দিয়েই পানি প্রবাহিত হয়। ফলে পানির তীব্র চাপে সমস্যাটি সৃষ্টি হয় প্রতি বছর। এ বর্ষার মৌসুমে ড্রেনের দুইপাশের বসতবাড়ি ও বিদ্যুতের খুটি চরম ঝুকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। মাটি ধসে বসতবাড়ি ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও ড্রেনের পূর্ব পাশে সাধারণ মানুষের কৃষি জমি রয়েছে।
কৃষিজ ফসল উৎপাদনই তাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র মাধ্যম। বৃষ্টিতে ফসলি জমি ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে কৃষি জমির পরিমান কমে যাবে। ফসল পানিতে ডুবে গেলে কৃষি পণ্য নষ্ট হলে সাধারণ মানুষের চরম ক্ষয়ক্ষতি হবে। এজন্য স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসীর মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এলাকাবাসির দাবি, প্রশাসন ও মাননীয় সরকারের নিকট আবেদন সরকারী ব্যবস্থাপনায় ড্রেনটি নির্মান করে দিতে হবে। ফলে নিরাপদে বসবাস করতে পারবে এবং কৃষি জমি রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি।