মোঃ রানা , স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ পৌরসভা কি জনগণের টাকায় দক্ষ প্রকৌশলী নিয়োগ করছে, নাকি অদক্ষতার পরীক্ষাগার বানিয়েছে? বর্তমান ড্রেন নির্মাণের চিত্র দেখে এমন প্রশ্নই উঠছে।
রাস্তার তুলনায় অনেক নিচু করে ড্রেন নির্মাণের ফলে রাস্তার সমতলে থাকা দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথ নিচে পড়ে যাচ্ছে। আবার ড্রেনের ওপর টাইলস বসিয়ে ফুটপাত নির্মাণ হবে। তাহলে এসব প্রতিষ্ঠানে মানুষ প্রবেশ করবে কীভাবে এ প্রশ্নের উত্তর কি নকশা তৈরির সময় ইঞ্জিনিয়া ভেবেছেন?
তাহলে প্রশ্ন হলো-
দোকানে ঢুকতে বের হতে কি মানুষকে সিঁড়ি বেয়ে নামতে হবে? নাকি ভবিষ্যতে দোকান ও বাসাবাড়িতে যাওয়ার জন্য পৌরসভা ফুটপাতের ওপর অভারব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেবে?
১৬ কোটির অধিক টাকার প্রকল্পের পরিকল্পনায় যদি মানুষের চলাচল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশের বিষয়টিই বিবেচনায় না থাকে, তাহলে এই উন্নয়ন কার জন্য?
আরও চমকপ্রদ বিষয় হলো, কোথাও কোথাও ড্রেন নির্মাণ শেষ হওয়ার পর নাকি বোঝা গেছে ডিজাইন ঠিক হয়নি! এখন আবার নতুন করে ডিজাইন করে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
প্রশ্ন হচ্ছে-
ডিজাইন করার আগে কি জায়গাটি সরেজমিনে দেখা হয়নি? রাস্তার উচ্চতা, দোকানের প্রবেশপথ ও ভবিষ্যৎ ফুটপাতের উচ্চতা কি মাপা হয়নি? নাকি আগে নির্মাণ, পরে ভুল ধরা এটাই এখন পৌরসভার প্রকল্প বাস্তবায়নের নতুন পদ্ধতি?
ঝিনাইদহ পৌরসভার প্রকৌশলীর দক্ষতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ যদি হয় এমন ড্রেনের ডিজাইন, তাহলে সত্যিই বলতে হয় এ দক্ষতার খেসারত কিন্তু প্রকৌশলীকে নয়, দিতে হবে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের! উন্নয়ন মানে মানুষের ভোগান্তি বাড়ানো নয়। উন্নয়ন মানে এমন অবকাঠামো তৈরি করা, যা মানুষের জীবনকে সহজ করবে।