সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার:
বিশ্ববরেণ্য শায়খুল হাদীস আল্লামা রিয়াছত আলী চৌঘরী (রহ.)-এর স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি বিদ্যাপীঠ, “ঢাকা উত্তর রানাপিং আরাবিয়া হুসাইনিয়া মাদ্রাসা” গোলাপগঞ্জ, সিলেটের ফুযালা-আবনা সমাবেশ ও সাধারণ সভা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল শনিবার (০৪ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত আজাদ দ্বীনি এদারায়ে তালিম সিলেটের অস্থায়ী কার্যালয়—জামেয়া খাদিমুল ইসলাম ফুলবাড়ী গোলাপগঞ্জে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শায়খুল হাদীস আল্লামা হিলাল উদ্দিন আহমদের (দা. বা.) সভাপতিত্বে এবং জামেয়ার ফুযালা ও জামেয়া খাদিমুল ইসলামের মোহতামিম হাফেজ মাওলানা নুরুল হুদার চমৎকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
সভায় দেশের প্রখ্যাত উলামায়ে কেরাম ও গুণীজন উপস্থিত হয়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তাদের মধ্যে আলোচনা পেশ করেন- মাওলানা জামাল আজাদ খান, জামেয়া দারুল উলূম গোলাপগঞ্জের প্রিন্সিপাল মাওলানা ইকবাল হুসাইন, মাওলানা ফয়জুল রহমান, মাওলানা আব্দুল মালিক, মাওলানা আব্দুল হান্নান, চৌঘরী হুজুরের দৌহিত্র মাওলানা ইউসুফ আহমেদ, মাওলানা সালেহ আহমেদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ইউনানী চিকিৎসক ডা. হাফেজ মাওলানা হাফিজুল ইসলাম লস্কর, ক্বারী মাওলানা আশিকুর রহমান জাকারিয়া।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, ক্বারী মাওলানা ইমরান হুসাইন, মাওলানা শওকাত আহমেদ, মাওলানা আব্দুল হালিম, ক্বারী মাওলানা আনিসুল রহমান নুরুপাড়ী, হাফেজ মাওলানা আজিমুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস জুনেল, মাওলানা ইকবাল হুসাইন শেরপুর, হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন, হাফেজ মছরুল আহমদ এবং আবনা শাহজাহান আহমদ মাছুমসহ আরও অনেকে।
দীর্ঘ ও ফলপ্রসূ আলোচনা শেষে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত এবং এজেন্ডা পাস করা হয়, আজাদ দ্বীনি এদারার স্থায়ী ভবন- দেশের প্রাচীনতম কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড ‘আজাদ দ্বীনি এদারায়ে তালীম, সিলেট বাংলাদেশ’-এর স্থায়ী ভবন নির্মাণের বিষয়ে সভায় বিশেষ গুরুত্বারোপ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এবং রানাপিং মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐক্য ও প্রাতিষ্ঠানিক কল্যাণের লক্ষ্যে সর্বসম্মতিক্রমে ১০৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি শক্তিশালী এবং ঐতিহ্যবাহী “ফুযালা ও আবনা পরিষদ” কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্য ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে। উপস্থিত বক্তা ও ওলামায়ে কেরাম আশা প্রকাশ করেন যে, এই নতুন কমিটি রানাপিং মাদ্রাসার গৌরবময় ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।