August 8, 2026, 3:28 pm
শিরোনাম:
চট্টগ্রামে বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের নিয়ে ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ শীর্ষক মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নান্দনিক চট্টলা উলিপুরে ক্যান্সারে আক্রান্ত ৫ বছরের শিশু রোহানকে বাঁচাতে বাবা-মা’র আকুতি খাগড়াছড়িতে নারী ফুটবল ও ব্যাডমিন্টনের আসর শুরু নওগাঁয় ঐতিহাসিক হিন্দুবাঘা ধামে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে নতুন শিব মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন শ্রীরামপ্রসাদ ভদ্র দিনাজপুরের বিরামপুর রেলস্টেশন যেন প্রকৃতির কোলে এক নান্দনিক ঠিকানা আমি বাঁচতে চাই,কিডনি রোগে আক্রান্ত ২০ বছরের তরুণ স্বপনের আকুতি, প্রয়োজন মানবিক সাহায্য নওগাঁর মান্দা উপজেলার পাঁজরভাঙ্গা থেকে জল ছত্র পর্যন্ত সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন সাদা পাথর পর্যটনঘাটে পর্যটকদের বাঁচাতে হামলার শিকার সাংবাদিকসহ -৩ ওসমানীনগরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৯ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর হাওর ভ্রমণ উৎসব
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

বিশ্ব রূপের ছায়া

Reporter Name

-মাধুরী ব্যানার্জী

 

পাহাড়ের পাদদেশে ছোট্ট এক গ্রামে বাস করত অদ্বৈত নামে এক যুবক। ছোটবেলা থেকেই তার মনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খেত—এই বিশাল পৃথিবীর অন্তরালে কী লুকিয়ে আছে? আকাশের নীলিমা, নদীর স্রোত, মানুষের হাসি-কান্না—সবকিছুর মধ্যে কি কোনো এক অদৃশ্য সূত্র কাজ করে?
একদিন ভোরবেলায় সে বেরিয়ে পড়ল উত্তর খুঁজতে। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সে পৌঁছাল এক নির্জন অরণ্যে। সেখানে এক বৃদ্ধ সাধকের সঙ্গে তার দেখা হলো।
অদ্বৈত জিজ্ঞেস করল, “গুরুজন, আমি বিশ্বরূপ দেখতে চাই। জানতে চাই, এই সৃষ্টির প্রকৃত রূপ কী?”
সাধক মৃদু হেসে বললেন, “বিশ্বরূপকে চোখে দেখা যায় না, তাকে উপলব্ধি করতে হয়। তবু তুমি চেষ্টা করো।”
সেই রাতে অরণ্যের মাঝখানে ধ্যানমগ্ন হয়ে বসে রইল অদ্বৈত। হঠাৎ তার চারপাশের সবকিছু যেন বদলে যেতে লাগল। বৃক্ষের পাতাগুলো আলোর মতো জ্বলজ্বল করছে, নদীর কলতান যেন সঙ্গীত হয়ে উঠেছে, আকাশের তারাগুলো এক অদ্ভুত ছন্দে নৃত্য করছে।
সে দেখল, একটি শিশুর হাসি আর এক বৃদ্ধের অশ্রু একই স্রোতে মিলিত হচ্ছে। ফুলের সুগন্ধ, ঝড়ের তাণ্ডব, জন্ম আর মৃত্যু—সব এক বিশাল চক্রের অংশ। সে অনুভব করল, বিশ্বরূপ কোনো একক চেহারা নয়; এটি অসংখ্য রূপের সমন্বয়।
মুহূর্তের জন্য তার মনে হলো, সে যেন সমগ্র সৃষ্টির হৃদস্পন্দন শুনতে পাচ্ছে। কিন্তু ঠিক তখনই সেই দৃশ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল।
পরদিন সকালে সে সাধকের কাছে ফিরে এল।
“আমি বিশ্বরূপ দেখেছিলাম,” অদ্বৈত বলল, “কিন্তু তা আবার হারিয়ে গেল।”
সাধক বললেন, “তুমি যা দেখেছ, তা ছিল বিশ্বরূপের ছায়া মাত্র। প্রকৃত বিশ্বরূপ অসীম। মানুষ তার সম্পূর্ণতা ধারণ করতে পারে না। তবে সেই ছায়ার মধ্যেই সত্যের আভাস পাওয়া যায়।”
অদ্বৈত বুঝতে পারল, উত্তর কোনো দূর দেশে লুকিয়ে নেই। প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি প্রাণ, প্রতিটি মুহূর্তেই সেই অসীম রূপের ছায়া বিদ্যমান।
সেদিন থেকে সে আর বিশ্বরূপকে খুঁজতে বেরোল না। বরং প্রতিদিনের জীবনের মধ্যেই তার ছায়াকে অনুভব করতে শিখল। আর সেই উপলব্ধিই তাকে দিল গভীর শান্তি।



ফেসবুকে আমরা