আজিজুর ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার:
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসার মাধ্যমে গড়ে তোলা অবৈধ সম্পদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। দীর্ঘদিন ধরে হেরোইনসহ নানা প্রকার মাদক কারবারের মাধ্যমে অর্জিত অঢেল সম্পদের খোঁজে মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থা। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে উপজেলার চিহ্নিত শীর্ষ মাদক কারবারিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, গোদাগাড়ী সীমান্ত এলাকায় অন্তত ১৮৪ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যারা মাদক ব্যবসার মাধ্যমে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অনেকেই নামমাত্র পেশার আড়ালে বিলাসবহুল বাড়ি ও কৃষি জমি গড়ে তুলেছেন।
প্রশাসনের এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি জানান, মাদক নির্মূলে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। অবৈধভাবে অর্জিত এক পয়সার সম্পদও রক্ষা পাবে না। চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলাসহ তাদের সম্পদের উৎস তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করছেন,কেবল কারাবন্দি করলেই হবে না, বরং মাদক কারবারিদের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিলেই এই অঞ্চল থেকে মাদক পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব।