নিজস্ব প্রতিবেদক,
ঢাকা: ফ্যাসিস্ট আওয়ামী শাসন আমলের চরম দমন-পীড়ন ও ভীতি উপেক্ষা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর কবর জিয়ারত করেছিলেন নাটোর জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। সম্প্রতি সেই সময়ের জিয়ারতের ছবি ও তথ্য জনসম্মুখে আসার পর, বর্তমানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে আরাফাত রহমান কোকোর কবর বনানী থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে স্থানান্তরের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য ও ছবি বিশ্লেষণে দেখা যায়, তৎকালীন সরকারের কঠোর নজরদারি ও জুলুমের মধ্যেই নাটোর-৪ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার আবু হেনা মোস্তফা কামাল (রঞ্জু) এবং রাজপথের লড়াকু নেতা মশিন্দা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম বনানী কবরস্থানে গিয়ে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। সেই দুঃসময়েও মো. রফিকুল ইসলামের পুত্র মুফতি সারওয়ার হোসাইন সাহসিকতার সাথে মোনাজাত পরিচালনা করেছিলেন। বর্তমানে দেশে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ব্যারিস্টার রঞ্জু ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জোর দাবি তুলেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বনানীতে অবহেলিত অবস্থায় রাখা আরাফাত রহমান কোকোর কবর দ্রুত চন্দ্রিমা উদ্যানে স্থানান্তর করতে হবে। ব্যারিস্টার রঞ্জু বলেন, “আওয়ামী আমলে কোকোর কবরের ওপর যে বৈষম্য করা হয়েছে—সেখানে সামান্য বাঁশের বেড়া ছাড়া আর কিছু করতে দেওয়া হয়নি—তা ছিল অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এখন সময় এসেছে সেই বৈষম্য দূর করার। আমরা বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি জানাই, অবিলম্বে শরিয়তসম্মত উপায়ে জিয়া পরিবারের এই কনিষ্ঠ সদস্যকে তাঁর পিতা শহীদ জিয়ার পাশে সমাহিত করার ব্যবস্থা করা হোক।” নেতাকর্মীদের মতে, রফিকুল ইসলামের মতো তৃণমূলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা যারা জেল-জুলুম সহ্য করে জিয়ার আদর্শকে ধরে রেখেছেন, তাদের প্রাণের দাবি অনুযায়ী এই ঐতিহাসিক ভুল সংশোধনের এখনই উপযুক্ত সময়।