November 6, 2026, 1:05 pm
শিরোনাম:
ঝিনাইদহের গিলাবাড়িয়ায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত শ্রীশ্রী মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান: ভক্তদের মহামিলন ও সম্প্রীতির অনন্য বার্তা দীপাবলির আলোয় স্বপ্ন বুনছেন রংপুর অঞ্চলের কুমাররা রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আসলে কি সঠিক ভাবে সরকারি গাছ কাটার হবে তদন্ত চটকদার খবর বনাম জনস্বার্থ: গণমাধ্যমের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জয়গান ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)’-এর শুভ উদ্বোধন: চুয়াডাঙ্গায় ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হলিধানি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার (০৬)ছয় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি রুহুল আমিনকে আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা জকিগঞ্জের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য: প্রথম কর্মদিবসে ডা. জয়নাল আবেদীন গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ফাহিম আশরাফের ২৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

​রাজপথের এক অদম্য সৈনিকের না বলা কথকতা ও ত্যাগের উপাখ্যান

Reporter Name

​রাজপথের এক অদম্য সৈনিকের না বলা কথকতা ও ত্যাগের উপাখ্যান
​— রফিকুল ইসলাম
​রাজনীতি কি কেবল ক্ষমতার পালাবদল, নাকি কিছু মানুষের নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগ ও আদর্শের অপর নাম? বাংলাদেশের রাজনীতিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শকে যাঁরা হৃদয়ে ধারণ করেন, তাঁদের অনেকের জীবনই আজ এক একটি উপাখ্যান। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের এই দীর্ঘ লড়াইয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের যে মূল্য চুকাতে হয়, তার এক জীবন্ত দলিল যেন আমার নিজের জীবনের কিছু স্মৃতি।
​মনে পড়ে যায় সেই দুঃসময়ের দিনগুলোর কথা। যখনই দলের ডাকে কোনো কর্মসূচি বা আন্দোলন আসত, সব পিছুটান আর পরিবার পরিজনের মায়া ত্যাগ করে ঢাকার রাজপথে ছুটে যাওয়ার এক অদম্য তাগিদ অনুভব করতাম। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চুপিচুপি পালিয়ে যাওয়ার সময় চারপাশের অনেকেই উপহাস করে বলতো— “দেখো, বড় বিএনপি নেতা হয়ে গেছে!” কিন্তু তখন কে শোনে কার কথা? বুকের ভেতর তখন দেশপ্রেম আর দলের প্রতি ভালোবাসার এক অন্যরকম আগুন জ্বলত।
​এলাকায় ফিরে আসার পর যখন জানতাম পুলিশি তালিকায় আমার নাম উঠেছে, তখন থেকেই শুরু হতো নতুন এক জীবন—পলাতক জীবন। নিজ ভিটেমাটি ছেড়ে কখনো শ্যালো ইঞ্জিন চালিত ঘর, কখনো অচেনা কোনো আত্মীয়ের বাসা, আবার কখনো কুঁড়েঘরে বালিশ ছাড়া নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে। মাথার ওপর ঝুলন্ত মামলার খড়্গ নিয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম কিংবা নারায়ণগঞ্জের এ বাসা থেকে ও বাসায় লুকিয়ে বেড়াতে হয়েছে মাসের পর মাস।
​পরিবারের প্রিয় মুখগুলো, বিশেষ করে সন্তানদের কাছ থেকে দূরে থাকার সেই যন্ত্রণা আজও বুক চিরে দীর্ঘশ্বাস বের করে আনে। আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েও স্বস্তি মেলেনি। রাজনৈতিক পরিচয়ের ভয়ে কেউ যখন বলতেন, “আমরা তো অন্য দল করি, আমাদের এখানে কেন…” তখন পেটে ক্ষুধা থাকলেও আত্মসম্মানের টানে আর এক মুহূর্ত সেখানে টিকে থাকতে পারিনি। নীরবে ঘর থেকে বেরিয়ে এসে অজানা উদ্দেশ্যে হাঁটতে হয়েছে।
​আজ দিন বদলেছে, দেশ নতুন সম্ভাবনার পথে হাঁটছে। দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর আজ বিএনপি ও মুক্তিকামী মানুষের সুদিন এসেছে। কিন্তু এই সুদিনের আলোয় অনেক সময় পেছনের সেই দিনগুলোর কথা, মাঠের নিঃস্বার্থ ত্যাগের কথা ম্লান হয়ে যায়। কোনো প্রাপ্তির আশায় তো আমরা রাজপথে নামিনি; আমাদের ভালোবাসা ছিল শর্তহীন, আদর্শিক।
​তবুও একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে মনে জমে থাকা এই না বলা কথাগুলো আজ কেবলই স্মৃতির রোমন্থন নয়, এটি ইতিহাসের এক সত্য পাঠ। শত নির্যাতন, ক্ষুধা, অপমান আর পলায়নপর জীবন পেরিয়েও যাঁদের মেরুদণ্ড ভেঙে যায়নি, সেই রফিকুল ইসলামরাই প্রমাণ করেন—আদর্শের রাজনীতি কখনো হারিয়ে যায় না। এই ত্যাগের ইতিহাস যেন হারিয়ে না যায়, কুঁড়েঘরের সেই দিনগুলোর কষ্ট যেন মূল্যায়ন পায়, এটাই আজ একজন সাধারণ কর্মীর সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।



ফেসবুকে আমরা