স্টাফ রিপোর্টার: সাদিয়া পারভীন মুক্তা
রাষ্ট্রপতির বিশেষ আদেশে নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচন বৈধ হতে পারলে গণভোট কেন বৈধ হবে না—এমন জোরালো প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মোতারামা নূরুন্নিসা সিদ্দিকা।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) দুপুরে নাটোর শহরের কানাইখালি এলাকার আরপি কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নাটোর জেলা মহিলা বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ‘থানা কর্মপরিষদ ও ইউনিয়ন দায়িত্বশীল সম্মেলন’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে নুরুন্নীসা সিদ্দিকা বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে গণভোটের বিষয়টি সংবিধানে নেই। অথচ সাংবিধানিকভাবে যেখানে পরবর্তী নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা ছিল, তা রাষ্ট্রপতির আদেশে এগিয়ে এনে ২০২৬ সালেই সম্পন্ন করা হয়েছে। যদি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই নির্বাচন সম্পূর্ণ বৈধ হিসেবে গৃহীত হতে পারে, তবে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে গণভোটও সমানভাবে বৈধতা পাওয়ার দাবি রাখে।”
নাটোর জেলা জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি শাহনাজ শেলীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সংসদ সদস্য মোতারামা সাবিকুন্নাহার মুন্নি এবং রাজশাহী অঞ্চলের অঞ্চল দায়িত্বশীলা মোতারামা সাবরিনা শারমিন বনি। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আতিকুল ইসলাম রাসেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিয়ন পর্যায় থেকে আগত নারী দায়িত্বশীল নেত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, সংগঠনের আদর্শ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে তৃণমূল পর্যায়ে নারী নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি ন্যায়ভিত্তিক ও ইনসাফপূর্ণ সমাজ গঠনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর তারা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।