November 6, 2026, 10:43 am
শিরোনাম:
ঝিনাইদহের গিলাবাড়িয়ায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত শ্রীশ্রী মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান: ভক্তদের মহামিলন ও সম্প্রীতির অনন্য বার্তা দীপাবলির আলোয় স্বপ্ন বুনছেন রংপুর অঞ্চলের কুমাররা রমাগঞ্জ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের প্রশ্ন আসলে কি সঠিক ভাবে সরকারি গাছ কাটার হবে তদন্ত চটকদার খবর বনাম জনস্বার্থ: গণমাধ্যমের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার জয়গান ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬-২৭ (সিজন-২)’-এর শুভ উদ্বোধন: চুয়াডাঙ্গায় ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হলিধানি ইউনিয়ন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপি’র প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয় দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার (০৬)ছয় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের এমপি রুহুল আমিনকে আন্দুলবাড়ীয়া বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা জকিগঞ্জের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য: প্রথম কর্মদিবসে ডা. জয়নাল আবেদীন গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক ফাহিম আশরাফের ২৮তম জন্মবার্ষিকী আজ
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

নড়াইলে বিদ্যুৎ তের লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন—বাড়তি বিলের চাপ এর থেকে উত্তরণ হওয়ার ও আশার আলো দেখতে চায় সাধারণ জনগণ

Reporter Name

 

ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ মানুষ, ব্যাহত ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা

 

মোঃরাসেল শেখ,

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

 

 

নড়াইল জেলার লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলায় ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নড়াইলের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ভোগান্তি ক্রমেই বাড়ছে। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষসহ সাধারণ নাগরিকদের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কখনো একটানা কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, আবার বিদ্যুৎ এলেও কিছুক্ষণ পরপর চলে যাচ্ছে। ফলে দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অনেক ব্যবসায়ীকে বিকল্পভাবে জেনারেটর, চার্জার ফ্যান কিংবা অন্যান্য ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে বাড়ছে অতিরিক্ত খরচ।

বিশেষ করে ছোট দোকান, ওয়ার্কশপ, কম্পিউটার ও ফটোকপি ব্যবসা, সেলুনসহ বিদ্যুৎনির্ভর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বিদ্যুৎ না থাকলে কাজ বন্ধ রাখতে হয়, অথচ বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থার জন্য জ্বালানি বা অন্যান্য খরচ বহন করতে হচ্ছে। ফলে একদিকে আয় কমছে, অন্যদিকে পরিচালন ব্যয় বাড়ছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে বাড়িতে থাকা বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ঘনঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার ফলে ফ্রিজ, টেলিভিশন, কম্পিউটার, রাউটারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অনেক পরিবারকে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস চার্জ দেওয়ার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ চলে গেলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎনির্ভর আলো ও ফ্যান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুম ও স্বাভাবিক বিশ্রামও ব্যাহত হচ্ছে। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে হাতপাখা, চার্জার ফ্যান ও বিকল্প আলোর ব্যবস্থা করছে।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকের মাসিক বিদ্যুৎ বিল নিয়েও অসন্তোষ বাড়ছে। তাদের প্রশ্ন—বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘনঘন বিঘ্ন ঘটলেও কেন বিলের চাপ কমছে না? কারও কারও অভিযোগ, বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় বিল বেশি আসছে। তবে এসব অভিযোগের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিভাগের তদন্ত ও মিটার যাচাই প্রয়োজন বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা।

একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন, “দিনে কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যায়। ব্যবসার সময় বিদ্যুৎ না থাকলে ক্রেতাদের সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আবার বিকল্প ব্যবস্থা করতে বাড়তি টাকা খরচ হয়। মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলও দিতে হয়। সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।”

 

মোঃরাসেল শেখ,

নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।



ফেসবুকে আমরা