November 7, 2026, 8:22 am
শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের প্রতিনিধি সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিবাংলাদেশ ভূমিহীন ও গৃহহীন হাউজিং লিমিটেডের প্রতিনিধি সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত আদালত পাড়ায় সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় প্রশ্ন: আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে অনীহা কেন? স্মার্ট ও আধুনিক ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয়ে হরিণাকুণ্ডুর রঘুনাথপুর ইউনিয়নে রাজু আহমেদের রেকর্ডভাঙা মোটরসাইকেল শোডাউন: সাধারণ মানুষের ঢল নাসিরনগরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে পালিত হলো ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, ‎ ২২ পিস ইয়াবা ও নগদ টাকা উদ্ধার, ঠাকুরগাঁওয়ে গ্রেপ্তার আপন দুই ভাইবোন অবসরকালীন পরকীয়া ও সামাজিক বাস্তবতা: আফসানা আক্তার আফসুর বিস্ফোরক লেখা ঘিরে আলোচনা পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ভারতীয় রুপি, ইয়াবা, মোটরসাইকেল ও নগদ অর্থসহ আটক ১ কালিগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সহ ১ নারী ও চোরাই সাইকেল সহ ১ জন যুবককে গ্রেফতার করেছেন। ঝিনাইদহের গিলাবাড়িয়ায় সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত শ্রীশ্রী মহানামযজ্ঞানুষ্ঠান: ভক্তদের মহামিলন ও সম্প্রীতির অনন্য বার্তা দীপাবলির আলোয় স্বপ্ন বুনছেন রংপুর অঞ্চলের কুমাররা
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

অবসরকালীন পরকীয়া ও সামাজিক বাস্তবতা: আফসানা আক্তার আফসুর বিস্ফোরক লেখা ঘিরে আলোচনা

Reporter Name

এম আর সুমন বিশ্লেষকঃ-

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত পরিচয় ও জীবনদর্শনের পাশাপাশি সমাজ ও পারিবারিক জীবনের এক স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে পোস্ট দিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারী ও লেখালেখির সাথে যুক্ত আফসানা আক্তার আফসু। তার ২০ হাজার ফলোয়ার এবং ৬ হাজার বন্ধুর একটি বড় প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এই পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। বিশেষ করে সমাজে পরকীয়ার কারণ, বয়সন্ধিক্ষণের মনস্তত্ত্ব এবং আইনি শূন্যতা নিয়ে তার করা মন্তব্যগুলো নিয়ে এখন বিভিন্ন মহলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

​লেখার মূল বিষয়বস্তু: সমাজ, বয়স ও পরকীয়ার সমীকরণ

​পোস্টের শুরুতে নিজের শিক্ষাজীবন (জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোশ্যাল ওয়ার্ক বা সমাজকর্ম বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স) এবং ফিল্ডওয়ার্ক বা মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন আফসু। তিনি দাবি করেন, পড়াশোনার সুবাদে কিশোর বয়স থেকে শুরু করে বিবাহিত জীবন, ডিভোর্স এবং পরকীয়ার মতো জটিল সামাজিক সমস্যাগুলো খুব কাছ থেকে দেখেছেন।

​তার বিশ্লেষণে বাংলাদেশের সমাজে পরকীয়ার মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে দুটি বিষয়:

১. স্বামীর প্রতি স্ত্রীর অবহেলা

২. নারীদের অতিরিক্ত অর্থমুখী বা লোভী মানসিকতা

​বয়স বাড়ার সাথে সাথে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়, তার একটি চিত্র তিনি তুলে ধরেছেন। তার মতে, ৬০ বছর বয়সে একজন পুরুষ যখন কর্মজীবন থেকে অবসরে যান, তখন স্ত্রীর বয়স সাধারণত ৫০-৫৫ এর কাছাকাছি থাকে। এ সময় নারীদের শারীরিক পরিবর্তন বা হরমোনজনিত কারণে অনেক সময় সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে জৈবিক চাহিদা ও অবসর সময় বেশি থাকায় পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে।

​তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনেক পুরুষ যৌবনে নিজেদের সমস্ত সম্পদ বা ফ্ল্যাট স্ত্রীর নামে লিখে দেন এবং পরবর্তীতে ছেলেমেয়েরাও মায়ের পক্ষে চলে যায়। ফলে অবসরের পর ওই পুরুষটির হাতে না থাকে কোনো আর্থিক সচ্ছলতা, না থাকে পরিবারের মূল্যায়ন। এই অবহেলা, একাকীত্ব এবং অপূর্ণতা থেকে অনেক পুরুষ গোপনে পরকীয়ার দিকে ঝুঁকে পড়েন, যা পরবর্তীতে সামাজিকভাবে ফাঁস হয়ে গেলে তাদের চরম অপমান ও অপদস্থের শিকার হতে হয়।

​আইন ও সমাজ ব্যবস্থার সংকট

​পোস্টে আফসু একটি বড় আইনি ও সামাজিক শূন্যতার কথা তুলে ধরেছেন। তার মতে, প্রায় ২০ কোটি মানুষের এই দেশে সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সেক্স বা শারীরিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা আইন না থাকায় মানুষ পদে পদে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে। সমাজ পরকীয়া বা এই ধরনের সমস্যাগুলোকে সংশোধনের দৃষ্টিতে না দেখে কেবল লজ্জিত ও অপমান করার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে।

​সামাজিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ লেখার ঘোষণা

​পোস্টের শেষাংশে আফসু জানিয়েছেন যে, মেয়ে হিসেবে এ ধরনের বিষয় নিয়ে কথা বলা বা লেখালেখি করার ক্ষেত্রে অনেকেই নানা রকম কটূক্তি বা নেতিবাচক মন্তব্য করেন। তা সত্ত্বেও পাঠকদের উৎসাহ পেলে তিনি পরকীয়া, পারিবারিক কলহ এবং সমাজকর্মের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিক লেখা চালিয়ে যেতে চান।

​তার এই খোলামেলা আলোচনা একদিকে যেমন রক্ষণশীল সমাজে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, অন্যদিকে বহু মানুষ একে বাস্তবসম্মত সামাজিক সংকট হিসেবে চিহ্নিত করে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মতামত প্রকাশ করছেন।



ফেসবুকে আমরা