তিস্তার পানির গতিপথ পরিবর্তনে জেগে ওঠা চরাঞ্চল পরিদর্শনে দুই মন্ত্রী
Daily Mukti Samachar - দৈনিক মুক্তি সমাচার: জুন ১৯, ২০২৬
আব্দুস সামাদ
রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি।
তিস্তা নদীর পানির গতিপথ পরিবর্তনের ফলে জেগে ওঠা নতুন চরাঞ্চল এবং এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন সরকারের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রী। আজ ১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন তারা।
পরিদর্শনকারী দলের নেতৃত্ব দেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন এ্যানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু।
এ সময় তাদের সাথে ছিলেন নীলফামারী-১ (ডিমলা-ডোমার) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুস সাত্তার, যিনি মন্ত্রীদ্বয়কে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো ঘুরিয়ে দেখান এবং স্থানীয় মানুষের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন।
সরজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ
তিস্তার ভাঙন এবং নদী গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সাম্প্রতিক সময়ে বিশাল এলাকা জুড়ে চরাঞ্চল জেগে উঠেছে, যার ফলে ভিটেমাটি ও ফসলি জমি হারিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীদ্বয় চরাঞ্চলের মানুষের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন।
সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুস সাত্তার নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য স্ব-স্ব মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রীদ্বয় স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন এ্যানি
জানান,তিস্তার গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে টেকসই ও স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যাতে চরের মানুষ নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, একটি পরিবারও যেন না খেয়ে বা আশ্রয়হীন অবস্থায় না থাকে। জরুরি ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি তাদের টেকসই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা দ্রুত করা হবে।"
মন্ত্রীদের এই আকস্মিক পরিদর্শনে আশার আলো দেখছেন তিস্তাপাড়ের মানুষ। তারা আশা করছেন, এবার হয়তো তাদের দীর্ঘদিনের নদী ভাঙন সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান আসবে।
পরিদর্শনকালে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। যোগাযোগ: ইস্টার্ন হাউজিং (আলুবদী রোড), পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬।

