August 9, 2026, 6:31 am
শিরোনাম:
মোরেলগঞ্জ মডেল একাডেমি ৪২ কৃতী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও সম্মাননা। রাজাপুরের যুবলীগ নেতা রেজভী ভান্ডারিয়ায় গ্রেপ্তার ৯০৫ পিস ইয়াবাসহ নেত্রকোণায় একজন আটক: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযান সেন্টমার্টিনে ২০ হাজার চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ : বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘সবুজ বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এনরুট ফাউন্ডেশন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ সরকার বন, বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সেন্টমার্টিনে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হবে। এসব গাছ দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, মাটি ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা জানান। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী সেন্টমার্টিনে আয়োজিত ‘প্লাস্টিক ফ্রি বিচ ক্যাম্পেইন’-এ অংশ নেন। এ সময় দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও অনন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চলমান সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই সবুজায়নে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশি বৃদ্ধকে বিএসএফ ধরে নেওয়ার পর ভারতীয় নাগরিক আটক নাসের রহমানের এআই ভিডিও মামলা: দ্বিতীয় আসামি পারভেজ গ্রেপ্তার ইমাম মোয়াজ্জেম কে ভাতা পাইয়ে দেওয়ার নামে ঘুষ আদায় করে বহিষ্কার হলেন বিএনপির ২ নেতা চট্টগ্রামে বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের নিয়ে ‘এক মুঠো ভালোবাসা’ শীর্ষক মানবিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নান্দনিক চট্টলা
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজী: এক নিবেদিতপ্রাণ আলেম ও ইমামের শিক্ষাজীবন ও সমাজসেবামূলক পথচলা

Reporter Name

হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজী: এক নিবেদিতপ্রাণ আলেম ও ইমামের শিক্ষাজীবন ও সমাজসেবামূলক পথচলা

মোঃ নাঈম উদ্দীন
জীবননগর উপজেলা প্রতিনিধি, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দামুড়হুদা সদর ইউনিয়নের পুরাতন বাজারপাড়ার এক সম্ভ্রান্ত ও দ্বীনদার মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজী। তাঁর জন্মতারিখ ০১ জুন ১৯৯৮।
তাঁর বাবা মোঃ হাশেম আলী এবং মা ছাামেনা খাতুন। চার ভাই ও বাবা-মায়ের ভরা সংসারে তিনি এক আদর্শ পারিবারিক মূল্যবোধে বেড়ে ওঠেন।

হাফেজ তরিকুল গাজীর আজকের এই সফলতার পেছনে রয়েছে তাঁর বাবা-মায়ের অসামান্য দোয়া ও ত্যাগ। বিশেষ করে তাঁর ছোট মামা মাওলানা আব্দুস সামাদ-এর অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও পরম যত্নে তিনি মাদরাসায় ভর্তি হন এবং দ্বীনি শিক্ষার আলোর পথে যাত্রা শুরু করেন। তাঁর এই পথচলায় মামার অবদান ও পরামর্শ সবসময় অতুলনীয়।

শিক্ষাজীবন: মেধা ও অধ্যবসায়ের এক অনন্য নজির
হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজীর শিক্ষাজীবন অত্যন্ত বর্ণাঢ্য ও বৈচিত্র্যময়। সাধারণ ও দ্বীনি শিক্ষার চমৎকার সমন্বয়ে তিনি তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিগুলো অর্জন করেছেন:

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা: ২০০৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করার পর তিনি মাদ্রাসায় লেখাপড়া শুরু করেন। মক্তব ও নাজেরা বিভাগ সফলভাবে শেষ করার পর ২০১২ সালে পবিত্র কোরআনে হাফেজ (হেফজ বিভাগ সমাপ্ত) হন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক: তিনি ঢাকা মাদ্রাসা বোর্ড-এর অধীনে ২০১৬ সালে দাখিল এবং ২০১৮ সালে আলিম পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন।

উচ্চশিক্ষা (মাদ্রাসা বোর্ড): এরপর উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষার জন্য তিনি ইসলামিক আরবি বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধিভুক্ত হন এবং ২০২২ সালে ফাজিল এবং ২০২৫ সালে কামিল ডিগ্রি অর্জন করেন।

উচ্চশিক্ষা (সাধারণ শিক্ষা): দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি তিনি সাধারণ শিক্ষায়ও সমানভাবে মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। আলিম পাসের পর ২০১৮ সালে একযোগে অনার্স (সম্মান) পড়া শুরু করেন এবং ২০২৪ সালে অনার্স এবং ২০২৬ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি তিনি সুদীর্ঘ সময় ধরে অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সাথে দ্বীনি খিদমায় নিয়োজিত আছেন। ২০১৯ সালে তিনি দামুড়হুদা উপজেলার হাউলি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী রঘুনাথপুর জামে মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগদান করেন। অত্যন্ত নিষ্ঠা, ইখলাস ও দক্ষতার সাথে তিনি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এই মসজিদে খিদমত চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর ইমামতি ও দ্বীনি খেদমত বেশ প্রশংসিত হয়েছে।

ব্যক্তিগত জীবনে হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজী ২০১৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর সুখের সংসারে তায়্যিবাহ নামের ৬ বছর বয়সী ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান রয়েছে।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত অমায়িক, সুন্দর মনের ও ভালো ধার্মিক মানুষ। তাঁর মিশুক স্বভাব ও সদালাপী ব্যক্তিত্ব এলাকার ছোট-বড় সবার মন জয় করেছে। পাড়া-প্রতিবেশী ও মসজিদের মুসল্লিদের সাথে তাঁর সুসম্পর্ক এলাকার সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণ আলেম হাফেজ মাওলানা মোঃ তরিকুল গাজী তাঁর অর্জিত জ্ঞান ও কর্মদক্ষতা দিয়ে সমাজ সংস্কার, ইসলামের প্রচার-প্রসার এবং এলাকার মানুষের কল্যাণে নিজেকে আজীবন নিয়োজিত রাখতে চান। তাঁর এই অনুপ্রেরণাদায়ী জীবনযাত্রা এলাকার তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।



ফেসবুকে আমরা

সেন্টমার্টিনে ২০ হাজার চারা রোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন সাদ্দাম হোসেন সাজ্জাদ : বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সবুজায়ন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, এমপি এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘সবুজ বাংলাদেশ’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এনরুট ফাউন্ডেশন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধানে কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, বাংলাদেশ সরকার বন, বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় সেন্টমার্টিনে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় দ্বীপে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০ হাজার চারা রোপণ করা হবে। এসব গাছ দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, মাটি ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্যের আবাসস্থল সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আয়োজকরা জানান। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী সেন্টমার্টিনে আয়োজিত ‘প্লাস্টিক ফ্রি বিচ ক্যাম্পেইন’-এ অংশ নেন। এ সময় দ্বীপের পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে স্থানীয় জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও অনন্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় চলমান সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই সবুজায়নে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।