August 3, 2026, 8:32 pm
শিরোনাম:
সিরাজগন্জের শাহ্জাদপুরে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের তার ছিরে গরিব কৃষকের ৩ টি গরুর মৃ/ত্যু বটিয়াঘাটায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান  কালীগঞ্জ-ঢাকা বাস সার্ভিসের উদ্বোধন সিলেট থেকে ছেড়ে আসা জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে পাথর নিক্ষেপ আহত ২ ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ বিতরণ  বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকীতে মুক্ত পাঠাগার উদ্বোধন নড়াইলের স্বপ্নের সেতু চালু হচ্ছে দীর্ঘ ৮ বছর অবসানের পর। পাইকগাছার রাড়ুলীর জন্মভিটাকে ‘বিজ্ঞান পর্যটন কেন্দ্র’ ঘোষণার দাবি! বিজ্ঞানী পিসি রায়ের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী পালিত। বাঘাইছড়িতে বিজিবি’র উদ্যোগে ২৮ হাজার ৯০০ বৃক্ষ চারা বিতরণ সুস্থ সংস্কৃতি চর্চাই গড়বে মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: ত্রাণমন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

বেতন নেই, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই: মাহমুদ ফ্যাশন লিমিটেড-এর অমানবিকতায় দিশেহারা হাজারো শ্রমিক

Reporter Name

আশুলিয়া সাভার প্রতিনিধিঃ-আব্দুল্লাহ আল মামুন 

​প্রকৃতির প্রতিকূলতা ও ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন হাজারো গার্মেন্টস শ্রমিক ছুটে চলেন তাদের কর্মস্থলে। পরিবার ও জীবনের চাকা সচল রাখতে তাদের এই নিরলস প্রচেষ্টা। কিন্তু দিনের শেষে তাদের ভাগ্যে জোটে বঞ্চনা, লাঞ্ছনা আর চরম অনিশ্চয়তা। যে শ্রমিক কারখানার উৎপাদন সচল রেখে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন, আজ সেই শ্রমিকই তার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত।
​বর্তমানে ঢাকার সাভারের আশুলিয়াধীন বাড়ইপাড়ার মাহমুদ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ‘মাহমুদ ফ্যাশন লিমিটেড’-এর বিরুদ্ধে উঠেছে ভয়াবহ দুর্নীতির অভিযোগ। মালিক মাহমুদ হোসেনের কৌশল যেন এক মরণফাঁদ। অভিযোগ রয়েছে, পুরাতন শ্রমিকদের মাসের পর মাস বেতন না দিয়ে কারখানাটি কৌশলে অন্য মালিকানায় ভাড়ায় পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দায় এড়ানো।
​বেতন না পাওয়ার এই কষ্ট কেবল কারখানার ফটক পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়, এটি ছড়িয়ে পড়েছে শ্রমিকদের ব্যক্তিগত জীবনেও। আট মাস, ছয় মাস কিংবা তারও বেশি সময় ধরে বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন অনেকে। বাসা ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় অনেক শ্রমিককে রাতের অন্ধকারে মাথা গোঁজার ঠাঁই ছাড়তে হচ্ছে। ঘরের সামান্য আসবাবপত্র রাস্তায় ফেলে দিয়ে নিরুপায় হয়ে পথে নামতে হয়েছে তাদের। পেটের দায়ে দিশেহারা শ্রমিকরা আজ বাধ্য হয়ে ভিন্ন পেশার সন্ধানে ছুটছেন, কেউ কেউ বাধ্য হয়েছেন শহরের মায়া ত্যাগ করে গ্রামে ফিরতে।
​সবচেয়ে বিস্ময়কর ও অমানবিক বিষয় হলো, কারখানাটি যারা নতুন করে পরিচালনা করছেন, তারা নতুন শ্রমিকদের ভুল বোঝাচ্ছেন। তাদের দাবি, “কারখানা আমরা নিয়েছি, আগের বকেয়া টাকা আমাদের দেওয়ার কথা নয়।” অথচ এই অজুহাতে দীর্ঘদিনের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের টাকা আত্মসাৎ করার পাঁয়তারা করছেন মালিকপক্ষ।
​মাহমুদ গ্রুপের প্রতিষ্ঠান মাহমুদ ফ্যাশন লিমিটেড-এর মালিকপক্ষের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ এবং হাজারো শ্রমিকের উপার্জনের টাকা আত্মসাৎ করার এই প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দিনের পর দিন কাজ করিয়ে নিয়ে শ্রমিকদের বেতন না দেওয়া একটি অমানবিক ও দণ্ডনীয় অপরাধ।
​শ্রমিকদের এই কান্না কি কারও কানে পৌঁছায় না? এই অসহায় মানুষগুলোর হাহাকার কি প্রশাসনের নজরে আসবে না? আমরা অবিলম্বে দাবি জানাই, মাহমুদ ফ্যাশন লিমিটেড-এর সংশ্লিষ্ট সব শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হোক এবং শ্রমিকদের সাথে হওয়া এই জঘন্য প্রতারণার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হোক।
​শ্রমিকের ঘামের মর্যাদা রক্ষা করা কেবল আইনের শাসন নয়, এটি আমাদের মানবিক দায়িত্ব। অবিলম্বে ব্যবস্থা নিন, নতুবা এই হাজারো শ্রমিকের চোখের পানি ও ক্ষোভের আগুন যে কোনো সময় বড় ধরনের সামাজিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।



ফেসবুকে আমরা