নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাদের আসন্ন চীন সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু বিভ্রান্তির বিপরীতে প্রকৃত ও সঠিক তথ্য পাওয়া গেছে। সফরটির অর্থায়ন নিয়ে ওঠা সব ধরনের অপপ্রচার উড়িয়ে দিয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, এই সফরের পেছনে রাষ্ট্রীয় বা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো তহবিল ব্যবহার করা হচ্ছে না। মূলত, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের বিশেষ ‘ইয়ুথ ডেলিগেশন প্রোগ্রাম’ (যুব প্রতিনিধি দল কর্মসূচি)-এর অংশ হিসেবে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে, যার একমাত্র লক্ষ্য দুই দেশের তরুণদের মধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন করা। ডাকসু নেতৃবৃন্দের এই সফরের যাবতীয় মূল খরচ যেমন—আসা-যাওয়ার বিমান টিকিট (রাউন্ড ট্রিপ), আবাসন, খাবার ও অভ্যন্তরীণ যাতায়াতসহ সব ধরনের ব্যয় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস সরাসরি বহন করছে। এখানে জনগণের ট্যাক্সের টাকা কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ফান্ডের ন্যূনতম ব্যবহারও হচ্ছে না। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা শুধুমাত্র নিজেদের ব্যক্তিগত ভিসা ফি বাবদ আনুমানিক ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ টাকা নিজে বহন করছেন, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক সফরের ক্ষেত্রে একটি সাধারণ প্রক্রিয়া। সুতরাং, এই সফরকে কেন্দ্র করে কোনো প্রমোদভ্রমণ কিংবা অর্থ অপচয়ের অভিযোগ তুলে যেকোনো ধরনের নেতিবাচক প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বের এই আয়োজন দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শিক্ষাগত ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও দৃঢ় করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের তরুণদের leadership ও মেধার বিকাশ ঘটানোর ক্ষেত্রে একটি দারুণ সুযোগ তৈরি করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।