হাফিজুল ইসলাম লস্কর, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাহিত্য মানুষের চিন্তার পরিধি বাড়ায় এবং ভেতরে সুপ্ত থাকা নৈতিক বোধ জাগ্রত করে। তাই লেখকদের সাহসের সঙ্গে সত্য, সুন্দর ও দেশীয় ঐতিহ্যকে তাদের লেখনীতে ফুটিয়ে তুলতে হবে। নিয়মিত চর্চা ও সাধনার মধ্য দিয়েই একজন তরুণ লেখক ধীরে ধীরে একজন পূর্ণাঙ্গ ও পরিণত সাহিত্যিক হয়ে ওঠেন।
১৩ আগস্ট সিলেট নগরীর দরগাহ গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ (কেমুসাস)-এর নিজস্ব মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ১২৮২তম নিয়মিত সাপ্তাহিক সাহিত্য আসরে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঐতিহ্যবাহী এ সাহিত্য সংগঠনের সাহিত্য আসর কক্ষে ওই দিন সন্ধ্যায় এক প্রাণবন্ত আবহে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
কেমুসাসের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ছড়াকার কামরুল আলম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন ছড়াকার আব্দুস সামাদ অয়ন। আসরে মুখ্য আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি মামুন সুলতান, এ বি এম হাসান চৌধুরী এবং মোহাম্মদ ইসমাইল।
বক্তারা বলেন, সিলেটের সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চার মূল প্রাণকেন্দ্র হলো কেমুসাস। দীর্ঘকাল ধরে এই প্ল্যাটফর্মটি প্রবীণ ও নবীন লেখকদের মিলনমেলা হিসেবে কাজ করে আসছে। নতুনদের লেখনীকে শাণিত করতে নিয়মিত এ ধরনের সাহিত্য আসরের ভূমিকা অপরিসীম।
পবিত্র কুরআন থেকে কবি সাজিদুর রহমান-এর তেলাওয়াতের মাধ্যমে আসরের সূচনা হয়। পরবর্তীতে স্বরচিত কবিতা ও লেখা পাঠে অংশ নেন এস এম নজরুল ইসলাম তালুকদার, কামাল আহমদ, অমিত মামুন, আদিল আনোয়ার, ফজলুর রহমান ফজলু, লবিদ হোসেন, মো. মহিব উদ্দিন, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল এবং লিলু মিয়া।
পাঠের পাশাপাশি আসরে ছিল সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনা। চমৎকার গান পরিবেশন করে আসরকে মুগ্ধ করেন গীতিকবি বাহাউদ্দিন বাহার, কুবাদ বখত চৌধুরী রুবেল ও সাজিদুর রহমান। স্থানীয় সাহিত্য অনুরাগী ও সংস্কৃতিকর্মীদের বিপুল উপস্থিতিতে সমগ্র আসরটি এক আনন্দঘন সাহিত্য আড্ডায় পরিণত হয়।