মোঃ সুমন চৌধুরী, তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে আমিতো জেলারবাদ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে শ্রমিক এক অংশ জেলা প্রশাসকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সোমবার রাত ০৮ থেকে ধর্মঘট পালন করে এবং মঙ্গলবার সকাল থেকে সবরূপের বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকদের দাবি নির্বাচনে সাধারণ সভার মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিটি গঠন করতে হবে। তবে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান। বর্তমান পরিস্থিতি সাধারণ সভা সম্ভব নয়। এইজন্যে প্রশাসন পুলিশ সংশ্লিষ্ট নিয়ে প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি নির্বাচন কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন তিনি। এই প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে সভা থেকে বেরিয়ে এসে শ্রমিকদের এক অংশ বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন।
শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে অনেক দিনের বিরোধ চলছে। নির্বাচন দাবি কারী গত ২৩ শে এপ্রিল হামলার ঘটনাও ঘটে। পরে রফিকুল ইসলাম পাখিকে সভাপতি করে নতুন কমিটির ঘোষণা করে তা প্রত্যাখ্যান করে শ্রমিকদের এক অংশ। কয়েক দফা ধর্মঘট পালন করে। তবে জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে ছিল ঈদের পর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল ও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক বিনিময়ের এক পর্যায় বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষ শিরল বাস স্ট্যান্ডে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এ সময় নজরুল ইসলাম হেলালের চেম্বারে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।
শ্রমিক নেতা মমিনুল ইসলাম মমিন অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসক একটি পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন,। তার ভাষা সাধারণ সভার মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনে একটি সুস্থ নির্বাচনের একমাত্র উপায়। তিনি আরো দাবি করেন নজরুল ইসলাম হেলাল, মালিক পক্ষের প্রতিনিধি হওয়ায়। শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটিতে থাকা উচিত নয়। তবে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন। সাধারণ সভার আয়োজন বর্তমান সম্ভব নয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং সমস্যার সমাধান জন্য কাজ করছেন।
অন্যদিকে নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন বৈঠকে কথা কাটাকাটি হলেও বাস চলাচল বন্ধ রাখা বা চেম্বারে হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মালিকপক্ষ বাক চলাচল স্বাভাবিক রাখতে চাই।