November 5, 2026, 4:04 am
শিরোনাম:
মানিকছড়িতে ৮ নভেম্বর ছারছীনা শরীফের পীর সাহেবের আগমন উপলক্ষে ইছালে ছাওয়াব মাহফিল ও হাফেজ ছাত্রদের দস্তারবন্দী DESH ALPHA: একই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পণ্য, সেবা ও ব্যবসায়িক সম্ভাবনার নতুন উদ্যোগ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভৈরব নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জে বকেয়া বেতন ও সহকর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে রাজপথে হাজারো গার্মেন্টস শ্রমিক: “আমার ভাই মরলো কেন? বিচার চাই! চুয়াডাঙ্গায় ১০১ পিস বুপ্রেনরফিন উদ্ধার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন নাসিরনগরে যৌতুক না পেয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ৮ মাসেও বিচার না পাওয়ায় মানববন্ধন  গোলাপগঞ্জে নতুন ফুড কোর্টের যাত্রা শুরু, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কোটচাঁদপুরে আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেফতার  সাংবাদিক আলী আজগর ইমন ও মানবিক শওকত: মানবতার টানে এক ফ্রেমে দুই সহৃদয় ব্যক্তিত্ব হরিণাকুণ্ডুতে পূর্বাশা পরিবহনের নতুন রুট চালু, যাত্রীদের স্বস্তি
নোটিশ:
দৈনিক মুক্তি সমাচার ও ডিএমএস টিভি (DMS TV) ​”সত্যের সন্ধানে দৃষ্টি — ডি.এম.এস.” এবং ইনসানিয়াত লাইফ ব্লাড ফাউন্ডেশন ​”মানবতার সেবায় রক্তদান, বাঁচবে অকাল প্রাণ” (একটি অরাজনৈতিক ও সম্পূর্ণ মানবিক সংগঠন) ​পরিচালনা পর্ষদ: ​ইঞ্জিনিয়ার- মোঃ আল-আমিন মোল্যা, সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সভাপতি ।।। ​মোঃ মাসুদ রানা সুমন, প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা- সাধারণ সম্পাদক ।।। ​মোঃ আব্দুর রহিম সবুজ, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা- সিনিয়র সহ সভাপতি ।।। কর্তৃপক্ষ’র নোটিশ ব্যতীত কোনো ধরনের লেনদেন করবেন না; যদি করেন- কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেনা । ​যোগাযোগের তথ্য ও লিঙ্কসমূহ: ​অনলাইন আবেদন ফরম: https://forms.gle/p9ZvVivX35GsaeoAA, ওয়েবসাইট ভিজিট করুন: www.muktisamachar.com, ​ই-মেইল: dailymuktisamachar@gmail.com, ​সরাসরি যোগাযোগ: (মোবাইল ও হোয়াটসঅ্যাপ): (প্রকাশক)- ​📞 +৮৮০১৮২৮-৭৯২৭৫৫, (সম্পাদক)- 📞 +৮৮০ ৯৬৩৮-৭৫১৮১০, ​প্রধান কার্যালয়: ইস্টার্ন হাউজিং, পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা- ১২১৬ ।।। ​যে-কোনো সংবাদ, বিজ্ঞাপন বা তথ্যের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ।৷ ​”দুই মাসেই সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে—প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।”

নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডির পথে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাহমিদা আক্তার চৌধুরী ইভা। তার সাফল্যের শিক্ষা হোক আমাদের প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।

Reporter Name

 

মঈনউদ্দিন মনি, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

স্বপ্ন ছিল বিদেশে পড়াশোনা করা, আর নিউক্লিয়ার ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করা। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে একের পর এক সাফল্য অর্জন করেছেন ফাহমিদা আক্তার চৌধুরী ইভা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে পূর্ণ স্কলারশিপ এ মাস্টার্স করার সুযোগ পান। সেখানে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি গবেষণাকর্মেও তিনি অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে তিনি তাঁর গবেষণাকর্ম উপস্থাপন করেছেন এবং গবেষক ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। এভাবে একজন বাংলাদেশি তরুণ গবেষক হিসেবে আন্তর্জাতিক গবেষণা পরিমণ্ডলেও নিজের পরিচিতি তৈরি করছেন তিনি।

গবেষণার পাশাপাশি একাডেমিক ফলাফলেও সাফল্য ধরে রাখেন ফাহমিদা। মাস্টার্স সফলভাবে সম্পন্ন করার পরপরই একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পূর্ণ স্কলারশিপে পিএইচডির অফার পেয়েছেন তিনি। এই পিএইচডির ফান্ডিংয়ের পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় দুই কোটি টাকারও বেশি। তাঁর এই অর্জন নিঃসন্দেহে একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর জন্য অত্যন্ত গর্বের। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও গবেষণার মতো কঠিন ক্ষেত্রে তাঁর এই সাফল্য দেশের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার।

ফাহমিদার এই পথচলার শুরুতে ছিলেন তাঁর বাবা। নানা বাধা ও প্রতিকূলতা থাকা সত্ত্বেও বাবা তাঁকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করান এবং সবসময় পড়াশোনায় উৎসাহ ও সহযোগিতা করেন। বাবার সেই বিশ্বাস ও সমর্থনেই তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং বড় স্বপ্ন দেখার সাহস পান। আর বিয়ের পর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন তাঁর স্বামী। বিদেশে পড়াশোনা করা এবং নিউক্লিয়ার ফিজিক্স নিয়ে গবেষণা করার স্বপ্নকে তিনি সবসময় সম্মান করেছেন, সাহস দিয়েছেন এবং এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করেছেন।

ফাহমিদার গল্প শুধু একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। স্বপ্নকে ছোট করে দেখার কোনো কারণ নেই। সুযোগ সীমিত মনে হলেও চেষ্টা, মেধা ও অধ্যবসায় থাকলে বাংলাদেশের একজন শিক্ষার্থীও বিশ্বের যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের জায়গা করে নিতে পারেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য ফাহমিদার পথচলা হতে পারে একটি সাহসী উদাহরণ। বিয়ে কোনো নারীর স্বপ্নের শেষ নয়। একজন নারী চাইলে সংসার ও দায়িত্বের পাশাপাশি নিজের পড়াশোনা, ক্যারিয়ার ও স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে পারেন। প্রয়োজন নিজের প্রতি বিশ্বাস এবং এমন পরিবার ও জীবনসঙ্গী, যারা তাঁর স্বপ্নকে সম্মান করবে।

আজকের ফাহমিদা আগামী দিনের অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে হয়তো নতুন করে স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবেন,বিদেশে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা কিংবা বিজ্ঞানের জটিল কোনো ক্ষেত্রে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন।

একজনের সাফল্য যখন অন্য হাজার জনকে স্বপ্ন দেখায়, তখন সেই সাফল্য আর শুধু ব্যক্তিগত থাকে না,তা হয়ে ওঠে একটি প্রজন্মের অনুপ্রেরণা।

ফাহমিদা আক্তার চৌধুরী ইভার এই পথচলা তাই বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে একটাই বার্তা দেয়—স্বপ্ন দেখুন, চেষ্টা করুন, বাধাকে ভয় পাবেন না। আপনার শুরুটা যত ছোটই হোক, আপনার গন্তব্য হতে পারে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত।

বর্তমানে ফাহমিদা আক্তার চৌধুরী ইভা তার স্বামী ডাক্তার রোমান খাঁনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।



ফেসবুকে আমরা